ভোটের ময়দানে কেউ আক্রান্ত কেউ ঘরবন্দি, প্রথম দফায় নজরকাড়া প্রার্থীদের বিচিত্র অভিজ্ঞতায় সরগরম বাংলা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার নির্বাচনে ১৬টি জেলার হাইভোল্টেজ কেন্দ্রগুলোতে দিনভর নজর ছিল প্রথম সারির প্রার্থীদের ওপর। সকাল থেকেই বিক্ষিপ্ত অশান্তি আর টানটান উত্তেজনার মাঝে ধরা পড়ল বিচিত্র সব ছবি। কেউ নিজের গড় রক্ষা করতে বুথে বুথে ছুটলেন, কেউবা আক্রান্ত হলেন বিক্ষোভের মুখে। আবার অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীকে দেখা গেল একেবারেই ভিন্ন মেজাজে; ভোট প্রচারের ব্যস্ততা শেষে তাঁরা দিনের অনেকটা সময় কাটালেন ঘরবন্দি অবস্থায়।
মাঠে সক্রিয় হেভিওয়েটরা
নন্দীগ্রামের নিজের বুথে ভোট দিয়ে জয়ের ব্যাপারে প্রবল আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। একইভাবে শিলিগুড়ির গৌতম দেব বা রায়গঞ্জের স্বপ্না বর্মণরা সকাল থেকেই ছিলেন বুথমুখী। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাধা বা ইভিএম বিভ্রাটের জেরে বারবার উত্তপ্ত হয়েছে পরিস্থিতি। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ— হেভিওয়েট প্রার্থীদের অনেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। দিনভর দৌড়ঝাঁপের মাঝে রাস্তার ধারের দোকানে বা দলীয় কার্যালয়ে বসেই সেরেছেন দুপুরের মধ্যাহ্নভোজন।
আক্রমণ ও সৌজন্যের ভিন্ন মেজাজ
নির্বাচনী উত্তাপের মাঝেই মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের প্রার্থী হুমায়ুন কবীর বিক্ষোভ ও হামলার মুখে পড়েন, ভাঙচুর করা হয় তাঁর গাড়ি। অন্যদিকে, আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরেও উত্তেজনা ছড়ায়। তবে এই সংঘাতের আবহেও খড়্গপুরে দিলীপ ঘোষ ও তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকারের সৌজন্য বিনিময় নজর কেড়েছে। আবার সাগরদিঘির বায়রন বিশ্বাস দিনভর ব্যস্ত থাকলেও সময় পেরিয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত নিজের ভোটটি আর দিতে পারেননি।
এক ঝলকে
- শুভেন্দু অধিকারী থেকে অধীর চৌধুরী, প্রথম দফার ভোটে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী সব শিবিরের প্রার্থীরাই।
- রেজিনগরের প্রার্থী হুমায়ুন কবীর ও আসানসোলের অগ্নিমিত্রা পালের ওপর হামলার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায়।
- দিলীপ ঘোষ বা শিউলি সাহার মতো প্রার্থীরা দিনের অনেকটা সময় বাড়িতে বা দলীয় কার্যালয়ে থেকেই নজরদারি চালিয়েছেন।
- নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায় সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি।
