মহারাষ্ট্রে বার্ড ফ্লু আতঙ্ক! ১.৪০ লক্ষ মুরগি মেরে ফেলার নির্দেশ, ৫ কিমি এলাকা জুড়ে জারি সতর্কতা

মহারাষ্ট্রে বার্ড ফ্লু আতঙ্ক! ১.৪০ লক্ষ মুরগি মেরে ফেলার নির্দেশ, ৫ কিমি এলাকা জুড়ে জারি সতর্কতা

মহারাষ্ট্রের নন্দুরবার জেলার নবাবপুর তালুকায় নতুন করে বার্ড ফ্লু বা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় একটি পোল্ট্রি ফার্মের মুরগির নমুনা ইন্দোরের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর রিপোর্ট পজিটিভ আসায় সংক্রমণ রুখতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে প্রশাসন। দ্রুত এই রোগ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মুরগি নিধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা শুক্রবার থেকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে শুরু করার কথা জানানো হয়েছে।

সংক্রমণ প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ

প্রশাসনের পক্ষ থেকে আক্রান্ত পোল্ট্রি ফার্মের ১ কিলোমিটার এলাকাকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এই সীমানার মধ্যে থাকা ৬টি খামারের সমস্ত মুরগি মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়া আটকাতে ৩ কিলোমিটার এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন এবং ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকাকে বাফার জোন হিসেবে ঘোষণা করেছেন নন্দুরবারের জেলাশাসক মিত্তালি সেঠি। গুজরাট সীমান্ত সংলগ্ন এই অঞ্চলে বিপুল সংখ্যক মুরগি থাকায় বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রভাব ও সতর্কতা

বার্ড ফ্লুর এই প্রাদুর্ভাবের ফলে স্থানীয় পোল্ট্রি শিল্পের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিপূর্বে ২০০৬ এবং ২০২১ সালেও এই অঞ্চলে বার্ড ফ্লুর আক্রমণে লাখ লাখ মুরগি ও ডিম নষ্ট করতে হয়েছিল। সংক্রমণ ঠেকাতে প্রশাসন আশেপাশের জেলাগুলোতেও সতর্কতা জারি করেছে। পশুপালন দপ্তরের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে ডিম ও মুরগি সেবনের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। খামার মালিকদের গাফিলতি পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে প্রশাসন।

এক ঝলকে

  • মহারাষ্ট্রের নবাবপুরে বার্ড ফ্লু সংক্রমণের জেরে ১ লাখ ৪০ হাজার মুরগি নিধনের নির্দেশ।
  • সংক্রমিত এলাকা থেকে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বাফার জোন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
  • ক্ষতিগ্রস্ত খামার মালিকদের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য প্রদানের আশ্বাস।
  • ইন্দোরের ল্যাবরেটরিতে পাঠানো নমুনায় এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের অস্তিত্ব নিশ্চিত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *