লেটেস্ট নিউজ

মানসিক চাপ কমানোর এই ১০টি উপায়, আপনি মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাবেন এবং আপনার মন খুশি থাকবে – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

দৈনন্দিন জীবনের ইঁদুর দৌড়ে মানসিক চাপ বা স্ট্রেস এখন আমাদের নিত্যসঙ্গী। তবে অতিরিক্ত স্ট্রেস কেবল মন নয়, শরীরের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তাই সুস্থ থাকতে স্ট্রেসের মূল কারণ খুঁজে বের করা জরুরি। অফিসের কাজের চাপ হোক বা ব্যক্তিগত সমস্যা—সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব।

আপনার জীবনকে সহজ ও আনন্দময় করতে সহায়ক হতে পারে এই ১০টি অভ্যাস:

১. সকালের রুটিন ঠিক করুন: প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন। অন্তত ১০ মিনিট মেডিটেশন বা ধ্যান এবং কিছুক্ষণ ঈশ্বরের আরাধনা বা মন্ত্র পাঠ করলে মনে প্রশান্তি আসে। দিন শুরু করুন হালকা গরম জল খেয়ে।

২. শরীরচর্চা ও প্রাতঃভ্রমণ: সকালে দৌড়ানো, হাঁটা বা সাইক্লিং করলে শরীরে এনডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মনকে শান্ত রাখে এবং এনার্জি বাড়ায়। এটি মেটাবলিজম বৃদ্ধিতেও সহায়ক।

৩. স্বাস্থ্যকর প্রাতরাশ: স্ট্রেস কমাতে পুষ্টিকর খাবারের ভূমিকা অপরিসীম। সকালে ওটস, ওমলেট বা স্মুদির মতো স্বাস্থ্যকর এবং আপনার পছন্দের খাবার দিয়ে দিন শুরু করুন।

৪. নিজের জন্য সময় (Me Time): কাজ এবং সম্পর্কের ভিড়ে নিজের জন্য অন্তত আধঘণ্টা সময় বের করুন। এই সময়ে বই পড়া, পছন্দের সিনেমা দেখা বা সৃজনশীল কোনো কাজ করলে মানসিক ক্লান্তি দূর হয়।

৫. বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা: মন খুলে হাসলে অর্ধেক স্ট্রেস এমনিই কমে যায়। সপ্তাহে অন্তত একদিন পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করুন। পুরনো স্মৃতিচারণ ও আড্ডা মানসিক চাপ কমাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

৬. পরিবার ও সঙ্গীকে সময় দিন: একঘেয়েমি কাটাতে মাঝেমধ্যে পরিবার বা জীবনসঙ্গীকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে যান। ডিনার ডেট বা ছোটখাটো আউটিং আপনার মস্তিষ্ককে রিফ্রেশ করতে সাহায্য করবে।

৭. স্ক্রিন টাইম কমান: গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ফলে মানুষের মধ্যে হতাশা ও স্ট্রেস বাড়ছে। অন্যদের চাকচিক্যময় জীবন দেখে নিজের জীবনের সঙ্গে তুলনা করবেন না। ফোনের ব্যবহার কমিয়ে বাস্তব জীবনে সময় দিন।

৮. নিয়মিত ওয়ার্কআউট: জিম, ডান্স বা জুম্বা ক্লাসে যোগ দিন। শারীরিক পরিশ্রম করলে দিনভরের ক্লান্তি ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ হয়।

৯. পর্যাপ্ত ঘুম: অপর্যাপ্ত ঘুম স্ট্রেসের অন্যতম প্রধান কারণ। রাতে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন। ঘুম ভালো হলে আপনার কাজের প্রোডাক্টিভিটি বাড়বে এবং মেজাজও ভালো থাকবে।

১০. লক্ষ্য স্থির করুন ও ডায়েরি লিখুন: নিজের মনের কথা কাউকে বলতে না পারলে ডায়েরিতে লিখে রাখুন। এতে মন হালকা হয়। পাশাপাশি নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্যগুলো লিখে ফেলুন এবং তা পূরণে কাজ শুরু করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *