মা কেন জাগছে না? ৫ বছরের শিশুর কান্নায় ফাঁস হলো লিভ-ইন পার্টনারের নৃশংসতা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
হরিয়ানার দাদৌলা রোড এলাকায় লিভ-ইন সম্পর্কের এক করুণ ও নৃশংস পরিণতি দেখল প্রতিবেশীরা। গত কয়েকদিনের টানা পারিবারিক কলহের জেরে সরোজ নামে ৩০ বছর বয়সী এক নারীকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে তাঁর সঙ্গী সন্দীপের বিরুদ্ধে। শনিবার সকালে মায়ের নিথর দেহের পাশে বসে পাঁচ বছরের শিশুকন্যার আর্তনাদ এবং “আঙ্কেল মামিকে অনেক মেরেছে” এই আকুতি শুনেই প্রকাশ্যে আসে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ড।
বিবাদ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড
বিহারের গোপালগঞ্জের বাসিন্দা সরোজ ১০ বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেও গত চার বছর ধরে স্বামী ও সংসার ছেড়ে সন্দীপের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে সরোজের তিন কন্যাসন্তানও থাকত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে ওই যুগলের মধ্যে তীব্র অশান্তি চলছিল। শুক্রবার রাতে সেই বিবাদ চরম পর্যায়ে পৌঁছালে সন্দীপ ক্ষিপ্ত হয়ে সরোজকে ব্যাপক মারধর করে এবং এক পর্যায়ে গলা টিপে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
উন্মোচিত সত্য ও আইনি পদক্ষেপ
সকালে দীর্ঘক্ষণ সরোজ ঘুম থেকে না ওঠায় তাঁর বড় মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে নানার কাছে গিয়ে সব ঘটনা খুলে বলে। মেয়ের নিথর দেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন সরোজের বাবা। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিভিল হাসপাতালে পাঠিয়েছে। সরোজের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত সন্দীপের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার ফলে সরোজের তিন শিশুসন্তানের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, যা এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।
এক ঝলকে
চার বছরের লিভ-ইন সম্পর্কের টানাপোড়েনে ৩০ বছর বয়সী নারীকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ।
৫ বছরের শিশুকন্যার বয়ানেই প্রকাশ্যে আসে সৎ বাবার নৃশংস কর্মকাণ্ড ও মায়ের মৃত্যু সংবাদ।
পারিবারিক কলহের জেরে অভিযুক্ত সন্দীপ শুক্রবার রাতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পলাতক।
পুলিশ নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে অভিযুক্তের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে।
