“মা ডাক্তার বানিয়েছিলেন, তৃণমূলের জঙ্গলরাজ কেড়ে নিল সেই মেয়েকে!” জলহাটিতে গর্জে উঠলেন মোদী – এবেলা

“মা ডাক্তার বানিয়েছিলেন, তৃণমূলের জঙ্গলরাজ কেড়ে নিল সেই মেয়েকে!” পানিহাটিতে গর্জে উঠলেন মোদী – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট মিটতেই বঙ্গ রাজনীতিতে পরিবর্তনের সুর আরও চড়া করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উত্তর ২৪ পরগনার জলহাটিতে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তিনি দাবি করেন, গতকালের ভোটদানের হার প্রমাণ করে দিয়েছে বাংলায় বিজেপির ক্ষমতায় আসা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। মোদীর মতে, রাজ্যে দীর্ঘদিনের অন্ধকার অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে জনতা এবার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ প্রশস্ত করেছে।

আরজি কর ইস্যু ও নারী নিরাপত্তা

এদিনের বক্তৃতায় আরজি কর হাসপাতালের নারকীয় ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সরাসরি শাসক দলকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন, এক মা অনেক কষ্টে মেয়েকে ডাক্তার বানিয়েছিলেন, কিন্তু তৃণমূলের ‘জঙ্গলরাজ’ সেই সন্তানকে কেড়ে নিয়েছে। ঘটনার পরবর্তী সময়ে শাসক দলের নেতাদের বিতর্কিত মন্তব্যের সমালোচনা করে তিনি জানান, মায়েদের সম্মান রক্ষার্থে নির্যাতিতার মাকেই বিজেপি প্রার্থী করেছে। বাংলার নারীশক্তি এবার ব্যালট বক্সে এই অপমানের যোগ্য জবাব দেবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট রাজ মুক্তির অঙ্গীকার

তৃণমূলের শাসনকালকে ‘সিন্ডিকেট সংস্কৃতি’ এবং ‘গুন্ডারাজ’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বেকারত্ব ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, পরাজয়ের ভয়ে দিশেহারা হয়ে তৃণমূল এখন অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বাণী স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি উপস্থিত জনতার কাছে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন এবং প্রতিশ্রুতি দেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলাকে এই দমবন্ধ করা পরিস্থিতি থেকে চিরতরে মুক্তি দেওয়া হবে।

এক ঝলকে

  • প্রথম দফার ভোটের পর বাংলায় বিজেপির জয় নিশ্চিত বলে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী।
  • আরজি কর কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকারকে ‘নারীবিরোধী’ ও ‘জঙ্গলরাজ’ বলে আক্রমণ।
  • নির্যাতিতার মাকে প্রার্থী করার বিষয়টিকে নারীশক্তির প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা।
  • সিন্ডিকেট, বেকারত্ব ও অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইলেন মোদী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *