মেঝেতে ডিম পড়ে নরককুণ্ড রসুইঘর, মুক্তি মিলবে সহজ কিছু ঘরোয়া টোটকাতেই! – এবেলা

মেঝেতে ডিম পড়ে নরককুণ্ড রসুইঘর, মুক্তি মিলবে সহজ কিছু ঘরোয়া টোটকাতেই! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

রান্নাঘরে কাজ করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত হাত থেকে ডিমের ক্রেট বা ট্রে পড়ে যাওয়ার ঘটনা প্রায়শই ঘটে থাকে। মেঝেতে ডিম ভেঙে পড়ার পর দামি লিকুইড ক্লিনার ব্যবহার করেও অনেক সময় সেই আঁশটে গন্ধ ও চটচটে ভাব দূর করা যায় না। এর মূল কারণ হলো ডিমের চটচটে প্রোটিন কণা ও তীব্র গন্ধ সহজে বাতাস ও মেঝের উপরিভাগ থেকে দূর হতে চায় না। উল্টো তড়িঘড়ি জল দিয়ে মুছতে গেলে এই পিচ্ছিল ভাব ও দুর্গন্ধ দ্বিগুণ বেড়ে গিয়ে পুরো ঘরের পরিবেশকে দমবন্ধকর করে তোলে। তবে মাথা ঠান্ডা রেখে কিছু সাধারণ ঘরোয়া উপাদানের সঠিক ব্যবহারে এই মুশকিল থেকে সহজেই আসান পাওয়া সম্ভব।

ঝটপট পরিচ্ছন্নতার প্রাথমিক কৌশল

মেঝেতে ডিম পড়ার সাথে সাথে জল না দিয়ে প্রথমেই তার ওপর মুঠো মুঠো সাধারণ নুন ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। নুন ডিমের তরল অংশকে দ্রুত জমিয়ে শক্ত করে ফেলে, যা ১৫ মিনিট পর খবরের কাগজ দিয়ে সহজেই তুলে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া যায়। ডিমের অবশিষ্টাংশ পরিষ্কারের পর তেলতেলে ভাব দূর করতে হালকা গরম জলে কয়েক ফোঁটা বাসন ধোয়ার তরল সাবান মিশিয়ে সুতির কাপড় দিয়ে মেঝেটি মুছে নেওয়া প্রয়োজন। গরম জল ও সাবানের মিশ্রণ মেঝেতে কোনও চটচটে দাগ বা পিছল ভাব অবশিষ্ট রাখে না।

গন্ধ ও জীবাণু দূর করার মোক্ষম উপাদান

ডিম পরিষ্কারের পরেও বাতাসে থেকে যাওয়া আঁশটে গন্ধ দূর করতে কফি গুঁড়ো বা বেকিং সোডা দারুণ কার্যকর। ডিম পড়া জায়গায় কিছুটা কফির গুঁড়ো বা বেকিং সোডা ছড়িয়ে রাখলে তা প্রাকৃতিকভাবেই গন্ধ শোষক হিসেবে কাজ করে। এছাড়া সমপরিমাণ জল ও সাদা ভিনেগারের মিশ্রণ মেঝেতে স্প্রে করলে ভিনেগারের অ্যাসিড ডিমের প্রোটিন কণা ভেঙে দেয়, যা জীবাণু নাশের পাশাপাশি দুর্গন্ধ গোড়া থেকে নির্মূল করে। পাতিলেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড মিশ্রিত জল দিয়ে মেঝে মুছলেও চটচটে ভাব কেটে গিয়ে ঘর চনমনে সুবাসে ভরে ওঠে। সবশেষে ঘরের জানলা-দরজা খুলে এক্সহস্ট ফ্যান চালিয়ে দিলে মুক্ত বাতাস চলাচলের কারণে অবশিষ্ট আর্দ্রতা ও গন্ধ দ্রুত উবে যায়, যা ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ রোধ করে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *