মোবাইলের রিংটোন বদলে দিতে পারে ভাগ্য, সামান্য ভুলেই ডেকে আনতে পারে চরম বিপদ! – এবেলা

মোবাইলের রিংটোন বদলে দিতে পারে ভাগ্য, সামান্য ভুলেই ডেকে আনতে পারে চরম বিপদ! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

বর্তমান যুগে মোবাইল ফোন আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। সকালের অ্যালার্ম থেকে শুরু করে রাতের শেষ মেসেজ, সারাদিন ফোন আমাদের সঙ্গেই থাকে। তবে বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, এই অতি প্রয়োজনীয় গ্যাজেটটি আমাদের জীবনে ইতিবাচক বা নেতিবাচক দুই ধরনের প্রভাবই ফেলতে পারে। বিশেষ করে ফোনের রিংটোন মানুষের মানসিক অবস্থা ও ভাগ্যের ওপর বড়সড় প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম বলে মনে করেন বাস্তু বিশেষজ্ঞরা।

সঠিক সুরের ইতিবাচক প্রভাব

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইলের রিংটোন সবসময় মিষ্টি এবং কান জুড়ানো হওয়া উচিত। বাঁশির সুর, হালকা কোনো ভজন, মন্দিরের ঘণ্টার আওয়াজ কিংবা নরম কোনো যন্ত্রসংগীতকে রিংটোন হিসেবে অত্যন্ত শুভ বলে গণ্য করা হয়। এই ধরনের সুর বারবার শুনলে মন শান্ত থাকে এবং চারপাশে ইতিবাচক শক্তি বা পজিটিভ এনার্জি বৃদ্ধি পায়। মূলত যে শব্দ মানুষ বারবার শোনে, তার সাথে মনের একটি গভীর সংযোগ তৈরি হয়। ফলে মিষ্টি সুর মানুষের মানসিক ক্লান্তি দূর করে জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

কর্কশ আওয়াজের মারাত্মক পরিণতি

বাস্তুশাস্ত্রে মোবাইলের রিংটোন নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ ভুলের ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে। অত্যন্ত জোরে, ভয় ধরানো, উগ্র বা কর্কশ আওয়াজের কোনো রিংটোন ফোনে রাখা একদমই উচিত নয়। এই ধরনের রিংটোন বারবার বাজলে মানুষের মধ্যে অজ্ঞাতসারেই টেনশন, বিরক্তি এবং মানসিক অস্থিরতা তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কর্কশ শব্দের নেতিবাচক প্রভাব জীবনের নানা ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে এবং ভাগ্যকে প্রতিকূল করে তোলে। তাই দৈনন্দিন জীবনে মানসিক শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে ক্ষতিকর ও উগ্র রিংটোন পরিহার করাই শ্রেয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *