মোমোর চাটনি খাচ্ছেন না বিষ? ১১৫ কেজি নষ্ট করল প্রশাসন, পাঠানো হল ল্যাবে! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাস্তার ধারের ধোঁয়া ওঠা গরম মোমো আর তার সঙ্গে লাল ঝাল চাটনি দেখলেই জিভে জল আসে! কিন্তু এই চাটনি আপনার শরীরে বিষ ঢালছে না তো? উত্তরপ্রদেশের কানপুরে খাদ্য সুরক্ষা দফতরের এক সাম্প্রতিক অভিযানে উঠে এল এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হওয়া প্রায় ১১৫ কেজি মোমোর চাটনি বাজেয়াপ্ত করে নষ্ট করল প্রশাসন।
কী ঘটেছে কানপুরে? জেলাশাসক জিতেন্দ্র প্রতাপ সিংয়ের নির্দেশে কানপুরের রাওয়াতপুর, সাকেত নগর এবং মাসওয়ানপুর এলাকায় আচমকা হানা দেয় ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ (FSDA)। আকাশ মোমো এবং শ্রী বালাজি মোমো-সহ একাধিক দোকানে তল্লাশি চালিয়ে কার্যত চক্ষু চড়কগাছ আধিকারিকদের।
অভিযানের চাঞ্চল্যকর তথ্য:
- অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ: পরিদর্শনে দেখা যায়, অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকরভাবে মোমোর চাটনি তৈরি এবং সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যা মানুষের খাওয়ার একেবারেই অযোগ্য।
- ১১৫ কেজি চাটনি নষ্ট: জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে সঙ্গে সঙ্গেই ১১৫ কেজি বিপজ্জনক চাটনি নষ্ট করে দেন আধিকারিকরা।
- ল্যাবে পাঠানো হল নমুনা: এই চাটনি ও মোমোতে ঠিক কী কী ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে, তা নিশ্চিত করতে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।
- বেআইনি কারবার: জানা গিয়েছে, ‘শ্রী বালাজি মোমোস’-এর কোনও ফুড রেজিস্ট্রেশন বা বৈধ লাইসেন্সই ছিল না। সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে চলছিল এই রমরমা ব্যবসা।
প্রশাসনের কড়া হুঁশিয়ারি দোকান থেকে শুরু করে রাস্তার ধারের মোমোর ভ্যান—সব জায়গাতেই এই তল্লাশি চলছে। কানপুরের জেলাশাসক স্পষ্ট জানিয়েছেন, মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনওরকম ছিনিমিনি খেলা বরদাস্ত করা হবে না। খাবারের গুণগত মান ও পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে প্রশাসন কোনোভাবেই আপস করবে না।
