মোসাদের নজরদারি এড়িয়ে ককপিটে কীভাবে? ফ্লাইদুবাই হাইজ্যাক কাণ্ডে কাঠগড়ায় ইজ়রায়েল – এবেলা

মোসাদের নজরদারি এড়িয়ে ককপিটে কীভাবে? ফ্লাইদুবাই হাইজ্যাক কাণ্ডে কাঠগড়ায় ইজ়রায়েল – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

ফ্লাইদুবাইয়ের (flydubai) বিমান হাইজ্যাক করার চেষ্টার ঘটনায় এখন তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। ওমানি কো-পাইলট হামাম আল-হাম্মামি কীভাবে ককপিটে ঢুকে এই কাণ্ড ঘটালেন, তা নিয়ে সরাসরি ইজ়রায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে আঙুল তুলছে তেল আভিভের দৈনিক সংবাদপত্র ‘হারেটজ’ (Haaretz)।

গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ফ্লাইদুবাইয়ের FZ1073 ফ্লাইটটি হাইজ্যাক করার চেষ্টা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগেই বিমানের যাত্রী ও ক্রুদের সম্পূর্ণ তালিকা ইজ়রায়েলি কর্তৃপক্ষের হাতে পৌঁছে গিয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, ইজ়রায়েলে আসার অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে ট্যাক্স অথরিটির কাছে এই তালিকা জমা দিতে হয়। সেখান থেকে তা খতিয়ে দেখার কথা পুলিশ, শিন বেট এবং মোসাদের।

তাহলে এত তথ্য থাকা সত্ত্বেও কো-পাইলট হামামের ওমানি নাগরিকত্ব বা তাঁর পরিকল্পনা কেন আগে ধরা পড়ল না?

ইজ়রায়েলের সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির প্রাক্তন প্রধান ইৎজ়হাক রাজের মতে, বিদেশি বিমান সংস্থাগুলির নিরাপত্তার দায়িত্ব মূলত পরিবহণ মন্ত্রকের। কিন্তু প্রয়োজনীয় গোয়েন্দা তথ্য যাচাই করার মতো যে সক্ষমতা মোসাদ বা শিন বেটের রয়েছে, তা পরিবহণ মন্ত্রকের নেই। চরমপন্থী মনোভাবাপন্ন কেউ যাতে সহজে বিমানের ককপিটে পৌঁছাতে না পারেন, তার জন্য পাইলটদের পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা জরুরি ছিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞমহলের একাংশের অভিযোগ, ২০২৩ সালে আইন পাশ হলেও এখনও বিমান নিরাপত্তার জন্য পৃথক ও শক্তিশালী কোনো বিশেষ সংস্থা তৈরি করা হয়নি। তথ্য হাতে থাকা সত্ত্বেও কেন ওই পাইলটকে আগে চিহ্নিত করা গেল না, এখন সেই প্রশ্নেরই জবাব খুঁজছে ওয়াকিবহাল মহল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *