রাত পোহালেই খুলবে ইভিএমের মুখ, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে রাজ্যের গণনাকেন্দ্র! – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
বাংলার মসনদে কার বসবে—পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন—সেই ভাগ্য নির্ধারণ হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। সোমবার ভোটগণনার আগে রাজ্যজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা চরম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিশেষ করে হুগলি ও উলুবেড়িয়ার স্ট্রংরুমগুলোকে ঘিরে তৈরি করা হয়েছে অভেদ্য নিরাপত্তা বলয়। ইভিএম কারচুপির আশঙ্কা রুখতে রাজনৈতিক দলের কর্মীদের পাশাপাশি কড়া নজরদারি চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা ও সজাগ প্রহরা
রাজ্যের প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বাহিনী। স্ট্রংরুমে থাকা ইভিএমের ওপর নজর রাখতে বাইরে বসানো হয়েছে মনিটর, যেখানে প্রার্থীরা ও তাঁদের এজেন্টরা সিসিটিভি ফুটেজ সরাসরি দেখতে পাচ্ছেন। তৃণমূল সুপ্রিমো নিজে কর্মীদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য। শ্রীরামপুর বা চুঁচুড়ার মতো জায়গায় যেখানে সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে ছোটখাটো অভিযোগ উঠেছিল, সেখানে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। এমনকি স্ট্রংরুমে প্রবেশের আগে ভিজিটর খাতায় নাম ও সময় নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
হুগলি ও উলুবেড়িয়ার গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস
হুগলি জেলার ১৮টি বিধানসভার ভোটগণনা হবে মোট ৬টি কেন্দ্রে। এর মধ্যে শ্রীরামপুর কলেজ, চন্দননগর কলেজ, কানাইলাল স্কুল এবং হুগলি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির মতো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে গণনাকেন্দ্র হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, হাওড়ার উলুবেড়িয়া মহকুমার সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের (উলুবেড়িয়া পূর্ব, উত্তর, দক্ষিণ, শ্যামপুর, বাগনান, আমতা ও উদয়নারায়ণপুর) ভাগ্য পরীক্ষা হবে বীরশিবপুরের ওম দয়াল কলেজে। প্রতিটি কেন্দ্রেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের সমন্বয়ে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন সবার নজর সোমবার সকালের দিকে, যখন স্ট্রংরুমের তালা খুলে শুরু হবে মাহেন্দ্রক্ষণ।
