রুশ মিসাইল চুক্তিতে শক্তিশালী হচ্ছে ভারত, ঘুম হারাবে প্রতিবেশী দেশগুলো! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা চুক্তির খবরে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। একাধিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভারত রাশিয়া থেকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও দূরপাল্লার এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদিও এই চুক্তির বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শত শত উন্নত মিসাইল ক্রয়ের এই চুক্তি ভারতের আকাশপথের নিরাপত্তাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
আকাশযুদ্ধের সমীকরণে বৈপ্লবিক পরিবর্তন
এই চুক্তির সম্ভাব্য মূল আকর্ষণ হলো আর-৩৭এম (R-37M) মিসাইল, যা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দূরপাল্লার এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলগুলোর মধ্যে একটি। ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার পাল্লার এই মিসাইলটি শব্দের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দ্রুতগতিতে লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম। এর বিশেষত্ব হলো, এটি শত্রুপক্ষের নজরদারি বিমান এবং জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুগুলোকে অনেক দূর থেকেই ধ্বংস করে দিতে পারে। ফলে ভারতের আকাশসীমা লঙ্ঘন করার আগেই শত্রুপক্ষকে কড়া জবাব দেওয়া সম্ভব হবে।
আঞ্চলিক শক্তিতে ভারতের একচ্ছত্র আধিপত্য
ভারতের বর্তমান যুদ্ধবিমান বহরে থাকা সুখোই-৩০ এমকেআই (Su-30MKI) বিমানে এই মিসাইল যুক্ত হলে এর মারণক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। মূলত পাকিস্তান ও চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক জোটের মোকাবিলা করতেই ভারত এই কৌশলী পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই মিসাইল মোতায়েন হলে প্রতিবেশী দেশগুলো তাদের গুরুত্বপূর্ণ আকাশযান বা ড্রোন ভারতের সীমান্তের কাছাকাছি আনতে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়বে, যা সরাসরি তাদের যুদ্ধের সক্ষমতাকে কমিয়ে দেবে।
এক ঝলকে
- ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে দূরপাল্লার অত্যাধুনিক আর-৩৭এম (R-37M) মিসাইল ক্রয়ের সম্ভাব্য চুক্তি।
- এই মিসাইলটি ৪০০ কিলোমিটার দূর থেকে শত্রুপক্ষের নজরদারি বিমান ধ্বংস করতে সক্ষম।
- ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০ এমকেআই বিমানের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি বড় ভূমিকা রাখবে।
- চীন ও পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা কৌশলে ভারতের এই চুক্তি বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে।
