লিপস্টিক পরে পার্লামেন্টে নজর কাড়ি না! মাঠে নেমে কাকে বিঁধলেন বিদ্রোহী সাংসদ মিতালি – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
সদ্য দিল্লি থেকে ফিরেই সোজা কাস্তে হাতে জমির তিল কাটতে নেমে পড়লেন সাংসদ মিতালি বাগ। নিজের কাজের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি স্পষ্ট জানালেন, কারও নজর কাড়তে পার্লামেন্টের ভিতরে তিনি ঘন ঘন লিপস্টিক পরেন না। কৃষকের মেয়ে হিসেবে নিজের সাধারণ পরিচয় তুলে ধরতেই তিনি স্বচ্ছন্দ। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাঁর এই তির্যক মন্তব্য আসলে প্রাক্তন শিবিরের কোনও এক সাংসদকে উদ্দেশ্য করেই ছোঁড়া হয়েছে।
তৃণমূলে ডামাডোল ও বিদ্রোহীদের পাল্টা চাল
বর্তমানে চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল। ২৮ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ২০ জনই বিদ্রোহ ঘোষণা করে এনডিএ-কে সমর্থনের লক্ষ্যে ‘এনসিপিআই’ নামক একটি দলের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। দলত্যাগী এই সাংসদদের তালিকাতেই রয়েছেন মিতালি বাগ। মমতাপন্থীরা যখন এই দলবদলের নেপথ্যে দুর্নীতি থেকে বাঁচার চেষ্টা ও অর্থের প্রলোভনের তীব্র অভিযোগ তুলছেন, ঠিক সেই আবহেই মিতালির এই ভিডিও বার্তা প্রকাশ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
কটাক্ষের অন্তর্নিহিত বার্তা ও সম্ভাব্য প্রভাব
“আমি যা, আমি তাই” মন্তব্যটির মাধ্যমে মিতালি মূলত নিজের মাটির কাছের ভাবমূর্তিটিকেই প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলবদলের জেরে ওঠা ‘বিশ্বাসঘাতকতা’র অভিযোগ ভোঁতা করতেই তিনি নিজের এই শ্রমজীবী ও সাধারণ পরিচয়টি জনসমক্ষে জোরালোভাবে উপস্থাপন করছেন। পাশাপাশি, লিপস্টিক মন্তব্যের মাধ্যমে তৃণমূলের নির্দিষ্ট কোনও চর্চিত মুখকে নিশানা করেছেন তিনি। এই ঘটনার ফলে আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতিতে মমতাপন্থী ও বিদ্রোহী শিবিরের মধ্যে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হলো।
