শিহরণ জাগানো ভিডিও! বাসি শসাকে ‘তাজা’ বানাতে বিষাক্ত রঙের প্রলেপ, রেল স্টেশনে হাতেনাতে ধরা পড়লেন মহিলা

বিহারের কাটিহার জংশন রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের খাবারের সাথে মারাত্মক প্রতারণার এক চাঞ্চল্যকর চিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, প্ল্যাটফর্মে বসে দুই নারী বিক্রেতা ম্লান হয়ে যাওয়া শসাগুলোকে উজ্জ্বল সবুজ করতে কৃত্রিম রাসায়নিক রঙ ব্যবহার করছেন। মূলত পচা বা বাসি শসাকে ক্রেতাদের কাছে ‘তাজা’ হিসেবে তুলে ধরতেই এই ভয়ঙ্কর জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। প্ল্যাটফর্ম নম্বর ৭ এবং ৮-এ দিনের আলোতে চলা এই কর্মকাণ্ড রেলযাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে বড়সড় প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রশাসনের তৎপরতা
বিশেষজ্ঞদের মতে, শাকসবজিতে ব্যবহৃত এই ধরণের শিল্পজাত রঙ বা রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করলে পেটের পীড়া থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদী কিডনির সমস্যা বা ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি হতে পারে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই নেটিজেনদের তীব্র ক্ষোভের মুখে নড়েচড়ে বসেছে রেল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নারীদের চিহ্নিত করে ইতিমধ্যেই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিয়মিত তদারকির অভাব এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের মুনাফার লোভই সাধারণ মানুষের জীবনকে এমন ঝুঁকির মুখে ফেলছে বলে মনে করা হচ্ছে।
রেলওয়ের মতো জনবহুল স্থানে এই ধরণের খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, স্টেশনে খোলা অবস্থায় বিক্রি হওয়া ফল বা সবজি কেনার ক্ষেত্রে সাধারণ যাত্রীদের আরও সচেতন হওয়া জরুরি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্টেশনে খাদ্যসামগ্রীর মান নিয়ন্ত্রণে ভবিষ্যতে ঝটিকা অভিযান আরও বাড়ানো হবে।
देख रहे हैं @RailMinIndia जी –
— NCIB Headquarters (@NCIBHQ) May 8, 2026
बिहार के कटिहार रेलवे स्टेशन पर खुलेआम यात्रियों की ज़िंदगी से खिलवाड़ हो रहा है। सैकड़ों रेल कर्मचारियों और दर्जनों रेल पुलिसकर्मियों की मौजूदगी में ये खीरा बेचने वाली महिलाएं यात्रियों के खून में ज़हर घोल रही हैं, लेकिन पूरा रेलवे प्रशासन और… pic.twitter.com/qMxrJBqbMa
এক ঝলকে
- বিহারের কাটিহার জংশনে বাসি শসায় কৃত্রিম সবুজ রঙ মেশানোর ভিডিও ভাইরাল।
- স্টেশনে অপেক্ষারত যাত্রীদের আকৃষ্ট করতে এই বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছিল।
- রেল পুলিশ ও কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
- সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে স্টেশনে খাদ্য নিরাপত্তার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
