‘শেষ সুযোগ’ ইরানকে! ট্রাম্পের বড় দাবি— খোলাই হচ্ছে হরমুজ় প্রণালী, স্থগিত সামরিক হামলা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
ইরান-আমেরিকা সংঘাতের আবহেই এক বিস্ফোরক দাবি করে বসলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, তেহরানের সঙ্গে আমেরিকার আলোচনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে এবং মঙ্গলবারের মধ্যেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ় প্রণালী খুলে দেওয়া নিয়ে বড় কোনো সিদ্ধান্ত হতে পারে।
তবে বাইরে এক কথা বললেও আড়ালে ইরান আলোচনার টেবিলে বসছে— ট্রাম্পের এই দাবি কিন্তু এক ফু দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছে ইরান সরকার!
🔹 আলোচনার জোড়া শর্ত ও ট্রাম্পের ছক
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প পরিষ্কার জানিয়ে দেন, দু’টি ধাপে এই আলোচনা এগোচ্ছে:
- প্রথম ধাপ: সর্বাগ্রে হরমুজ় প্রণালী সম্পূর্ণরূপে খুলে দেওয়া।
- দ্বিতীয় ধাপ: ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ অকার্যকর (ডিনিউক্লিয়ারাইজেশন) করা।
ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, “আমরা পরমাণু ইস্যুতে এক ইঞ্চিও সরব না। এটাই ইরানকে দেওয়া আমাদের শেষ সুযোগ। যদি ভালো কোনো চুক্তি না হয়, তবে পরিণতি মারাত্মক হবে।”
🔹 পিছু হটল কি সামরিক হামলা?
উপসাগরীয় অঞ্চলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল আমেরিকা। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন:
- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই), কাতার এবং খোদ ইরানের অনুরোধেই সামরিক অ্যাকশন আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
- আলোচনার দরজা খোলা রাখতেই এই বিরতি।
🔹 ট্রাম্পের দাবিকে ‘নাকচ’ করল ইরান
আমেরিকার প্রেসিডেন্টের এসব দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। তেহরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই পরিষ্কার জানান:
- ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আলোচনা চলছে না।
- ওমানের সাথে যা কথা হচ্ছে, তা স্রেফ হরমুজ় প্রণালী দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচলের প্রযুক্তিগত বিষয় নিয়ে, প্রণালী খোলার সংক্রান্ত কিছু নয়।
সংবাদের বাড়তি অংশ: এই কূটনৈতিক টানাটানির মাঝেই মার্কিন সেনাকর্মীদের পরিবারের কল্যাণে একটি বিশেষ নির্বাহী আদেশে সই করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গঠন করা হয়েছে ইতিহাস সৃষ্টি করা প্রথম ‘প্রেসিডেনশিয়াল মিলিটারি স্পাউস কমিশন’।
