সমীক্ষার ফল ছাপিয়ে যাদবপুরে কি বামেদের বড় জয়? চূড়ান্ত গণনার আগে আত্মবিশ্বাসী বিকাশরঞ্জন – এবেলা

সমীক্ষার ফল ছাপিয়ে যাদবপুরে কি বামেদের বড় জয়? চূড়ান্ত গণনার আগে আত্মবিশ্বাসী বিকাশরঞ্জন – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বুথ ফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোলের পরিসংখ্যান নিয়ে বিন্দুমাত্র বিচলিত নন সিপিআইএম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বরং নিজের জয় এবং বামেদের অভাবনীয় সাফল্য নিয়ে তিনি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। তাঁর মতে, সাধারণ মানুষ এবার যেভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন, তাতে ফল প্রকাশের দিন বড় ধরনের কোনও অঘটন ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। বুথ ফেরত সমীক্ষার পরিসংখ্যানকে গুরুত্ব না দিয়ে তিনি এখন সরাসরি চূড়ান্ত গণনার দিকেই তাকিয়ে আছেন।

দুর্নীতি ও বিভাজনের বিরুদ্ধে জেহাদ

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, এবারের রেকর্ড পরিমাণ ভোটদান আসলে বর্তমান সরকারের চূড়ান্ত দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের এক সংবদ্ধ লড়াই। দীর্ঘ সময় ধরে যারা শান্তিপূর্ণভাবে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি, তাঁরাই এবার বুথমুখী হয়েছেন। এই উচ্চ হারকে তিনি ‘ভোট না দিতে পারার বিরুদ্ধে জেহাদ’ হিসেবেই দেখছেন। তাঁর বিশ্বাস, মানুষ নীরব বিপ্লবের মাধ্যমে যোগ্য জবাব দিয়েছেন।

বামেরাই আসল ফ্যাক্টর

বিশ্লেষকদের মতে, যাদবপুরে বামপ্রার্থীর এই দৃঢ় মনোভাব রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। বিকাশরঞ্জনের দাবি অনুযায়ী, এবার নির্বাচনে বামেরাই বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে। শাসক ও বিরোধী—উভয় শিবিরের ভোটব্যাংকে থাবা বসিয়ে বামেরা নিজেদের মাটি ফিরে পাওয়ার যে লড়াই শুরু করেছে, তার প্রতিফলন ব্যালট বক্সে দেখা যেতে পারে। এই গণভোটের ফলে শেষ পর্যন্ত কাদের পাল্লা ভারী হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।

এক ঝলকে

  • বুথ ফেরত সমীক্ষার ফলাফলকে সরাসরি নাকচ করে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।
  • উচ্চ হারের ভোটদানকে দুর্নীতি ও ধর্মীয় বিভাজনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি।
  • যাদবপুর কেন্দ্রে এবার বামপন্থীরাই প্রধান নির্ণায়ক শক্তি হতে চলেছে বলে দাবি প্রার্থীর।
  • মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে ‘শান্তিপূর্ণ ভোট দিতে পারার লড়াই’ হিসেবে দেখছেন এই বর্ষীয়ান নেতা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *