সরকারি চাকরিতে বিরাট সুখবর! বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বাড়াল রাজ্য, জানুন কোন গ্রুপে কত বছর – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যে সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বাড়ল! নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের রেশ ধরে রবিবার এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই শুভেন্দু অধিকারী সরকারি চাকরিতে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানোর যে আশ্বাস দিয়েছিলেন, এবার তা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হলো। সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি চাকরিপ্রার্থীর মধ্যে দীর্ঘদিনের হতাশা কেটে নতুন আশার আলো সঞ্চার হয়েছে।
নতুন বয়সসীমা ও পদের বিন্যাস
রাজ্য সরকারের জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিভিন্ন স্তরের সরকারি চাকরিতে আবেদনের সর্বোচ্চ বয়স উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন থেকে গ্রুপ ‘A’ পদের ক্ষেত্রে আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা বাড়িয়ে ৪১ বছর করা হয়েছে। তবে কোনো নির্দিষ্ট পদে যদি আগে থেকেই এর চেয়ে বেশি বয়সসীমা কার্যকর থাকে, তবে তা অপরিবর্তিত থাকবে। এছাড়া, গ্রুপ ‘B’ পদের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৪৪ বছর এবং গ্রুপ ‘C’ ও গ্রুপ ‘D’ পদের ক্ষেত্রে আবেদনের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ৪৫ বছর নির্ধারণ করেছে রাজ্য সরকার।
সিদ্ধান্তের কারণ ও সম্ভাব্য প্রভাব
নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ বা ধীরগতিতে চলার কারণে বহু যোগ্য চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষায় বসার সুযোগই পাননি। অনেকেরই আবেদনের নির্ধারিত বয়স পার হয়ে গিয়েছিল। প্রার্থীদের এই দীর্ঘদিনের বঞ্চনা এবং ক্ষোভ দূর করতেই সরকার বয়সসীমা ৫ বছর বাড়ানোর এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১১ মে অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের দুদিন পর থেকেই এই নতুন নিয়ম কার্যকর ধরা হবে। এর ফলে ওই তারিখের পর থেকে শুরু হওয়া সমস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চাকরিপ্রার্থীরা এই বর্ধিত বয়সসীমার সুবিধা পাবেন, যা রাজ্যের কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব দূরীকরণে বড়সড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- সরকারি চাকরির আবেদনের বয়সসীমা বৃদ্ধি করে রাজ্য সরকারের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।
- গ্রুপ ‘A’ পদের জন্য সর্বোচ্চ বয়স ৪১ বছর এবং গ্রুপ ‘B’ পদের জন্য ৪৪ বছর নির্ধারণ।
- গ্রুপ ‘C’ এবং গ্রুপ ‘D’ পদে আবেদনের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪৫ বছর।
- গত ১১ মে থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে উপকৃত হবেন বহু বয়সোত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থী।
