সরকারি শিক্ষক হয়েও কি তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী, জলহাটিতে নির্বাচনী অফিসারের ভূমিকা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে জলহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ‘চার্জ অফিসার’ পদে কর্মরত এক প্রাথমিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরাসরি শাসকদলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ এনেছে বিজেপি। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, যার ফলে অস্বস্তিতে পড়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও কমিশন।
আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
বিজেপির দাবি অনুযায়ী, জলহাটি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা চার্জ অফিসার দেবেশ চক্রবর্তী আদতে তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সক্রিয় কর্মী। পেশায় সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও তিনি নির্বাচনী বিধি ভেঙে রাজনৈতিক প্রচারে অংশ নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করে এই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। ছবিতে ওই শিক্ষককে দলীয় কর্মসূচিতে দেখা যাওয়ায় বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে।
কমিশনের কড়া পদক্ষেপের সম্ভাবনা
নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনো আধিকারিক বা কর্মী কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের অনুগত হতে পারেন না। তাঁদের পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। বিজেপি ইতিমধ্যে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে ওই শিক্ষককে দ্রুত দায়িত্ব থেকে সরানোর দাবি জানিয়েছে। এই ঘটনার ফলে জলহাটি এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে কমিশনের ভাবমূর্তি রক্ষায় বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এক ঝলকে
- জলহাটির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চার্জ অফিসার দেবেশ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ।
- পেশায় সরকারি শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার ছবি ফাঁস করেছেন অর্জুন সিং।
- আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে ওই আধিকারিককে নির্বাচনী কাজ থেকে সরানোর দাবি বিজেপির।
- ভোটের মুখে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে বড়সড় বিতর্কের মুখে নির্বাচন কমিশন।
