সরকারি স্কুল শিক্ষকের স্ত্রী ভাড়াটিয়ার সাথে গড়ে তুললেন অবৈধ সম্পর্ক, প্রতিদিনের এই নোংরামিতে অতিষ্ঠ স্বামী! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
আগ্রার সেমরি কা তাল এলাকায় এক যুবকের পায়ে রহস্যজনকভাবে গুলি লাগার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আহত যুবকের নাম রাহুল শর্মা (২২), যিনি পেশায় একজন ধাবা কর্মী। তার পরিবারের দাবি, এক সরকারি শিক্ষকের স্ত্রী রাহুলের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। সেই সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং আক্রোশ থেকেই শিক্ষক ওই যুবককে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুরানো বিবাদ ও হুমকির অভিযোগ
আহত যুবকের মা টিন্নির বয়ান অনুযায়ী, এক বছর আগে তারা ওই শিক্ষকের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সেই সময়ই ৪০ বছর বয়সী ওই নারী রাহুলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করেন। পরবর্তীকালে রাহুল সেখান থেকে চলে এলেও ওই নারী তাকে ক্রমাগত হুমকি দিতে থাকেন। যুবকের পরিবারের দাবি, শিক্ষক এই সম্পর্কের কথা জানতে পেরে এর আগেও রাহুলকে মারধর করেছেন এবং বৃহস্পতিবার রাতে কথা বলার অজুহাতে ডেকে পাঠিয়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।
তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
বর্তমানে রাহুল শর্মা এসএন মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ এই ঘটনায় একটি প্রাথমিক মামলা দায়ের করেছে। তবে ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে যুবকের পরিবার। তাদের অভিযোগ, পুলিশ ওই যুবককে নিজের পায়ে নিজে গুলি চালানোর স্বীকারোক্তি দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে, ওই নারী প্রকাশ্যে নিজের চেয়ে অর্ধেক বয়সের যুবকের সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করায় বিষয়টি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
ঘটনার প্রভাব ও বর্তমান পরিস্থিতি
এই ঘটনা স্থানীয় এলাকায় নৈতিক অবক্ষয় এবং ব্যক্তিগত আক্রোশের চরম বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের কাছে বিষয়টি কিছুটা সন্দেহজনক মনে হলেও তারা সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে। অভিযুক্ত শিক্ষক ও তার স্ত্রীর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে প্রকৃত অপরাধী কে, তা উদ্ঘাটন করতে ফরেনসিক পরীক্ষা এবং কল ডিটেইলস রেকর্ড যাচাই করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- আগ্রার সেমরি কা তাল এলাকায় ভাড়াটিয়া যুবকের পায়ে রহস্যজনকভাবে গুলি।
- সরকারি শিক্ষকের স্ত্রী ও ওই যুবকের মধ্যে অবৈধ সম্পর্কের জেরে হামলার অভিযোগ।
- ৪ বছরের ব্যবধান থাকলেও ৪০ বছর বয়সী নারী ও ২২ বছরের যুবকের সম্পর্ক নিয়ে চাঞ্চল্য।
- পুলিশি তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে আহত যুবকের পরিবারের গুরুতর অভিযোগ।
