সল্টলেকের ভোট উৎসবে কি ফিরবে স্বচ্ছতা! পালা বদলের আশায় সরব বিরোধীরা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
সল্টলেকের নির্বাচনী ইতিহাসে ‘ভূতের ভোট’ বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ দীর্ঘদিনের এক অমীমাংসিত অধ্যায়। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে ফের দানা বাঁধছে পুরোনো আতঙ্ক। অনেক ভোটারের অভিযোগ, ভোটকেন্দ্রে তাদের প্রবেশের আগেই ব্যালট বা ইভিএমে রায়দান সম্পন্ন হয়ে যায়। এক প্রবীণ বাসিন্দার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, লাইনে কেউ না থাকা সত্ত্বেও ঘরের ভেতর থেকে ভোটযন্ত্রের আওয়াজ ভেসে আসছিল, যা সরাসরি বুথ দখলের দিকেই আঙুল তোলে।
ভোটের স্বচ্ছতা বনাম পেশ পেশি শক্তি
বিধাননগর বা সল্টলেকের মতো শিক্ষিত ও অভিজাত এলাকায় এই ধরনের কারচুপি নাগরিক অধিকারের ওপর বড় আঘাত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। ভোটারদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ যে, প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে বহিরাগতরা বুথ দখল করে ভুয়া ভোট প্রদান করে। এই অগণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বন্ধ করতে এবার ‘স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিপোর্ট’ (এসআইআর) বা বিশেষ তদন্তকারী দল কোনো কার্যকর ভূমিকা নিতে পারবে কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রবল সংশয় রয়েছে।
প্রভাব ও পরিবর্তনের সম্ভাবনা
বিরোধীদের দাবি, যদি এসআইআর কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি সুনিশ্চিত হয়, তবেই সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবেন। অন্যথায়, সাধারণ ভোটারের আস্থার অভাব নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে সল্টলেকের বাসিন্দারা এখন তাকিয়ে আছেন প্রশাসনের সদিচ্ছার দিকে, যাতে ‘ভূতের ভোট’ নামক কলঙ্ক মুছে গিয়ে জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটে।
এক ঝলকে
- সল্টলেকের ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘদিনের ‘ভূতের ভোট’ বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ।
- লাইনে ভোটার না থাকলেও ইভিএমে ভোট পড়ার মতো চাঞ্চল্যকর অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন স্থানীয়রা।
- এসআইআর-এর সক্রিয়তা এবং বিরোধীদের পালা বদলের প্রত্যাশা ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক পারদ।
- অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারির অপেক্ষায় সাধারণ নাগরিক।
