সাবধান! বেকারি থেকে খাবার কিনছেন? পনির রোলের কামড় দিতেই বেরোল মরা টিকটিকি, হাসপাতালে যুবক!

সাবধান! বেকারি থেকে খাবার কিনছেন? পনির রোলের কামড় দিতেই বেরোল মরা টিকটিকি, হাসপাতালে যুবক!

বেঙ্গালুরুর মাগাড়ি রোডের একটি নামী বেকারিতে পনীরের রোল খেতে গিয়ে ঘটে গেল এক ভয়াবহ বিপত্তি। অগ্রহারা দাসরহাল্লির বাসিন্দা দীপু (৩২) নামে এক ক্যাব চালক বিকেলের টিফিন হিসেবে পনীর টিক্কা রোল অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু অর্ধেক খাওয়ার পর তিনি লক্ষ্য করেন, রোলের ভেতর একটি মরা টিকটিকি রয়েছে। এই দৃশ্য দেখার পরপরই তিনি অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন এবং দ্রুত বমি করতে থাকেন। পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত স্থানীয় কামাক্ষিপাল্যর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা ও দায়বদ্ধতাহীনতা

ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, খাবারে টিকটিকি পাওয়ার বিষয়টি বেকারির কর্মীদের জানানো হলে তারা অত্যন্ত অপেশাদার ও উদ্ধত আচরণ করেন। এমনকি হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসার খরচ দিতেও সাফ অস্বীকার করে প্রতিষ্ঠানটি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ার ফলে ওই যুবক তীব্র বমি ও পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন, যার কারণে তাকে ২৪ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হয়েছে। বেকারির এই দায়িত্বজ্ঞানহীন মনোভাব স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

আইনি পদক্ষেপ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি

এই ঘটনায় গোবিন্দরাজনগর থানায় বিএসএন ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যদিও তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে হুড়োহুড়ির কারণে ভুক্তভোগী কোনো ভিডিও বা ছবি প্রমাণ হিসেবে রাখতে পারেননি, তবে পুলিশ ঘটনার তদন্ত ও বেকারির খাবারের মান পরীক্ষার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জনাকীর্ণ শহরের নামী খাবার দোকানগুলোতে ক্রমাগত তেলাপোকা বা টিকটিকি পাওয়ার মতো ঘটনা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যথাযথ তদারকির অভাব এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরিই মূলত এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ।

এক ঝলকে

খাবার তৈরিতে চরম গাফিলতি ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

বেঙ্গালুরুর মাগাড়ি রোডের একটি বেকারিতে পনীরের রোলে মরা টিকটিকি পাওয়া গেছে।

খাবারটি খাওয়ার পর তীব্র অসুস্থ হয়ে এক ক্যাব চালক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বেকারি কর্তৃপক্ষ চিকিৎসার খরচ দিতে অস্বীকার করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *