সুইৎজারল্যান্ডে পাক সেনাপ্রধানকে হত্যার ছক! ইজরায়েলকে ধ্বংসের চরম হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের – এবেলা

সুইৎজারল্যান্ডে পাক সেনাপ্রধানকে হত্যার ছক! ইজরায়েলকে ধ্বংসের চরম হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক উত্তেজনার মাঝেই এবার এক চাঞ্চল্যকর দাবি ঘিরে বিশ্ব রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ব্রাজিলের প্রখ্যাত সাংবাদিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ পেপে এসকোবরের দাবি অনুযায়ী, সুইৎজারল্যান্ডে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে হত্যার ছক কষেছিল ইজরায়েলি গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ। এই গোপন ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পেরেই ইজরায়েলকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে চিরতরে মুছে দেওয়ার চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসলামাবাদ।

হত্যার ষড়যন্ত্র এবং পাকিস্তানের পালটা হুমকি

জানা গিয়েছে, ইরান ও আমেরিকার মধ্যে প্রথম শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত পর্বের জন্য সুইৎজারল্যান্ডের জেনেভায় উপস্থিত হয়েছিলেন দুই দেশ এবং মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান ও কাতারের শীর্ষ আধিকারিকরা। এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকেই পাক সেনাপ্রধান এবং তাঁর প্রতিনিধিদলের সদস্যদের হত্যার পরিকল্পনা করে মোসাদ। লেবানিজ-অস্ট্রেলিয়ান রাজনৈতিক বিশ্লেষক মারিও নওফালের পডকাস্টে সাংবাদিক এসকোবর দাবি করেন, পাক গুপ্তচর সংস্থার কাছে এই খবর পৌঁছানো মাত্রই ওমানের মাধ্যমে ইজরায়েলকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়। পাকিস্তানকে স্পষ্ট জানাতে হয়, আসিম মুনির বা পাক প্রতিনিধিদলের সামান্যতম ক্ষতি হলে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ইজরায়েলকে মুছে দেওয়া হবে। এই কড়া হুমকির পরেই নিজেদের ছক থেকে পিছু হঠতে বাধ্য হয় ইজরায়েল।

গুজব না কি বড়সড় সংঘাতের ইঙ্গিত

এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে মূলত ইরান-আমেরিকা শান্তি প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের সফল মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাকেই প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে, যা সম্ভবত ইজরায়েলের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে আঘাত হেনেছিল। আন্তর্জাতিক মহলে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই নতুন করে কূটনৈতিক অস্থিরতা এবং স্নায়ুযুদ্ধের প্রবল আবহ তৈরি হয়েছে। তবে এই চাঞ্চল্যকর দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম। পাক প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের সুইৎজারল্যান্ড সফর সম্পূর্ণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে এবং সেখানে প্রশাসনের তরফে কোনো বিশেষ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়নি। গোটা ঘটনায় ইজরায়েল বা পাকিস্তান সরকারের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *