সুপার ওভারে নারিন মানেই জয়ের গ্যারান্টি! এক যুগ আগের সেই মেডেন ওভারের ম্যাজিক ফিরল ইডেনে – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে সুপার ওভারে মেডেন নেওয়ার বিরল কীর্তি গড়েছিলেন এক যুগ আগে। সময়ের চাকা ঘুরলেও সুনীল নারিনের সেই রহস্যময় স্পিন আজও ব্যাটারদের কাছে ধাঁধা। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ফের বল হাতে ম্যাজিক দেখালেন এই ক্যারিবিয়ান তারকা। সুপার ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে লখনউয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে এনে দিলেন অবিশ্বাস্য এক জয়।
পুরান বনাম নারিন দ্বৈরথ
২০১৪ সালের ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে রেড স্টিলের হয়ে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের বিরুদ্ধে সুপার ওভারে মেডেন নিয়েছিলেন নারিন। কাকতালীয়ভাবে সেদিনের মতো এদিনও তাঁর শিকার হলেন বিধ্বংসী ব্যাটার নিকোলাস পুরান। সুপার ওভারের প্রথম বলেই পুরানকে সাজঘরে ফিরিয়ে লখনউয়ের যাবতীয় পরিকল্পনা ভেস্তে দেন তিনি। মাত্র তিন বলের ব্যবধানে দুই উইকেট তুলে নিয়ে প্রমাণ করলেন কেন তাঁকে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা বোলারদের একজন ধরা হয়।
অধিনায়কের আস্থা ও নারিনের আত্মবিশ্বাস
ম্যাচের শেষ ওভারে অনভিজ্ঞ কার্তিক ত্যাগী ১৭ রান খরচ করলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। চাপের মুখে দল যখন ছন্দ হারিয়েছিল, তখন দলের কোচ ও সতীর্থদের সম্মিলিত পরামর্শে বল হাতে তুলে নেন নারিন। ম্যাচ শেষে তিনি জানান, সুপার ওভারে বল করতে তিনি বরাবরই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তরুণ সতীর্থ কার্তিকের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি জানান, চাপের মুহূর্তে ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়াই আসল উদ্দেশ্য। নারিনের এই দায়িত্বশীল বোলিং ও মানসিকতা নাইট শিবিরে নতুন করে প্রাণের সঞ্চার করেছে।
এক ঝলকে
- এক যুগ আগে টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে প্রথমবার সুপার ওভারে মেডেন নেওয়ার রেকর্ড গড়েছিলেন সুনীল নারিন।
- লখনউয়ের বিরুদ্ধে সুপার ওভারে মাত্র ১ রান খরচ করে গুরুত্বপূর্ণ ২ উইকেট শিকার করেন তিনি।
- ২০১৪ সালের মতো এবারও সুপার ওভারে তাঁর প্রথম শিকার হলেন বিধ্বংসী ব্যাটার নিকোলাস পুরান।
- দলের কোচ ও সতীর্থদের আস্থার প্রতিদান দিয়ে কেকেআর-কে গুরুত্বপূর্ণ জয় এনে দিলেন এই রহস্য স্পিনার।
