সেপ্টেম্বর থেকেই বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ পরিষেবা! বাতিল হতে চলেছে লক্ষ লক্ষ অ্যান্ড্রয়েড ফোন; দেখুন সম্পূর্ণ তালিকা

জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ চলতি বছরের শেষ নাগাদ বেশ কিছু পুরনো অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে তাদের পরিষেবা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে এবং নতুন ফিচারগুলো সচল রাখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সংস্থাটি। এর ফলে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ গ্রাহক হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বন্ধ হচ্ছে পুরনো অ্যান্ড্রয়েড সাপোর্ট
হোয়াটসঅ্যাপ হেল্প সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ (Marshmallow) এর নিচের ভার্সনগুলোতে আর এই অ্যাপ কাজ করবে না। অর্থাৎ যারা এখনো অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ বা ৫.১ ভার্সন ব্যবহার করছেন, তাদের ডিভাইসে হোয়াটসঅ্যাপ সম্পূর্ণ অচল হয়ে যাবে। সাধারণত ২০১৪ সালের আগে বাজারে আসা স্যামসাং, সোনি, এলজি এবং হুয়াওয়ের মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের পুরনো মডেলগুলো এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত।
প্রভাবিত হতে পারে যেসব স্মার্টফোন
তালিকায় থাকা উল্লেখযোগ্য ফোনগুলোর মধ্যে রয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ সিরিজ, নোট ৪ ও ৫। এ ছাড়াও সোনির এক্সপেরিয়া জেড৩, জেড৪ ও জেড৫ সিরিজ এবং ওয়ানপ্লাস ওয়ান ও টু মডেলে পরিষেবা বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলোতে এখনো অনেক মানুষ পুরনো মডেলের ফোন ব্যবহার করেন, তাই এই সিদ্ধান্তের প্রভাব দক্ষিণ এশিয়ায় সবথেকে বেশি পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ব্যবহারকারীদের করণীয়
পরিষেবা সচল রাখতে ব্যবহারকারীদের দ্রুত ফোনের সেটিংস থেকে অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদি সফটওয়্যার আপডেট করার সুযোগ থাকে, তবে তা দ্রুত করে নেওয়া উচিত। অন্যথায় গুরুত্বপূর্ণ চ্যাট ও মিডিয়া ফাইলগুলো ব্যাকআপ নিয়ে নতুন ডিভাইস সংগ্রহ করাই একমাত্র পথ। তবে আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য আপাতত স্বস্তির খবর হলো, আইওএস ১৫.১ বা তার পরবর্তী ভার্সনগুলোতে হোয়াটসঅ্যাপ আগের মতোই সচল থাকবে।
এক ঝলকে
- অ্যান্ড্রয়েড ৬.০-এর নিচের ভার্সনগুলোতে ৮ সেপ্টেম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ হচ্ছে।
- স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬, নোট ৪ এবং ওয়ানপ্লাসের পুরনো মডেলে আর অ্যাপটি চলবে না।
- নিরাপত্তার খাতিরে ও নতুন ফিচার যুক্ত করতেই মেটার এই নতুন সিদ্ধান্ত।
- ডেটা হারানো এড়াতে দ্রুত চ্যাট ব্যাকআপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
