১১ মে থেকে দেশজুড়ে প্রবল দুর্যোগের ভ্রুকুটি আর উত্তাল হবে বঙ্গোপসাগর!

ভারতজুড়ে ফের দুর্যোগের ঘনঘটা। মৌসম ভবন (IMD) জানিয়েছে, আগামী ১১ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত দেশের উত্তর-পশ্চিম থেকে শুরু করে দক্ষিণ উপকূল— সর্বত্রই বড়সড় প্রাকৃতিক গোলযোগের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং কারাইকালের দক্ষিণ উপকূলে ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই দুর্যোগের মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখা হচ্ছে বঙ্গোপসাগরকে, যেখানে ১১ মে একটি শক্তিশালী নিম্নচাপ সৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
দক্ষিণে ভারী বৃষ্টি আর পাহাড়ে ঝোড়ো হাওয়ার তাণ্ডব
নিম্নচাপের প্রভাবে কেবল দক্ষিণ ভারত নয়, হিমালয় সংলগ্ন রাজ্যগুলোতেও চরম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। ১১ থেকে ১৪ মে-র মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। পাহাড়ি এলাকায় বাতাসের গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে। এই অকাল দুর্যোগের ফলে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং পাহাড়ি সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ হিসেবে বায়ুমণ্ডলের অস্থিরতা এবং বঙ্গোপসাগরের বুকে ঘনীভূত হতে থাকা নিম্নচাপকে দায়ী করছেন আবহাওয়াবিদরা। সমুদ্র থেকে আসা জলীয় বাষ্পপূর্ণ বাতাসের জেরে সমতল থেকে পাহাড়— সর্বত্রই বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হবে। এর সম্ভাব্য প্রভাব হিসেবে কৃষিজ ফসলের ক্ষয়ক্ষতি এবং জনজীবনে সাময়িক স্থবিরতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিবেদক: বর্তমান ঠাকুর।
