২০৩০-এর দশকেই কি প্রাসঙ্গিকতা হারাবে তেজস এমকে-২? অবসর নটেই বিস্ফোরক মন্তব্য প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধানের – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
দেশের উচ্চাভিলাষী ‘তেজস এমকে-২’ যুদ্ধবিমান প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে গুরুতর প্রশ্ন তুললেন ভারতীয় বায়ুসেনার সদ্য প্রাক্তন ভাইস-চিফ এয়ার মার্শাল নাগেশ কাপুর। অবসর গ্রহণের ঠিক দুই মাসের মাথায় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সতর্ক করে জানান, আগামী ২০৩০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে যখন এই যুদ্ধবিমান বিপুল সংখ্যায় বাহিনীতে যুক্ত হতে শুরু করবে, তখন যুদ্ধক্ষেত্রে এর প্রাসঙ্গিকতা অনেকটাই কমে যেতে পারে। চিন যখন পঞ্চম ও ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের দিকে দ্রুত এগিয়ে চলেছে এবং পাকিস্তানও পঞ্চম প্রজন্মের বিমান সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে, সেই সময়ে ভারতের মতো একটি দেশের চতুর্থ প্রজন্মের বিমানের ওপর নির্ভর করা কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে তিনি জোরালো সংশয় প্রকাশ করেছেন।
যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (এইচএএল)-এর কাজের ধীরগতি ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতাকেই এর জন্য প্রধানত দায়ী করেছেন প্রাক্তন এই শীর্ষ আধিকারিক। মার্কিন ইঞ্জিনের সরবরাহ সময়মতো না পাওয়া এবং অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতার কারণে তেজস এমকে-২ প্রোটোটাইপের সময়সীমা বারবার পিছিয়ে যাওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। চতুর্থ বা সাড়ে চার প্রজন্মের বিমানের পেছনে অযথা সময় ও অর্থ নষ্ট না করে ভারতের উচিত ফ্রান্স, জার্মানি বা জাপানের মতো আন্তর্জাতিক শক্তিশালী সামরিক কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরাসরি ষষ্ঠ প্রজন্মের অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে প্রবেশ করা বলে তিনি মত দিয়েছেন।
