বাংলার শীর্ষ ধনী প্রার্থীরা: কে কত দূর?

বাংলার রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব: কোটিপতি প্রার্থীরা নির্বাচনী হাটে
এক ঝলকে: অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (ADR)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বেশ কয়েকজন বিধায়ক ও প্রার্থীর সম্পত্তির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। তাঁদের মধ্যে জাকির হোসেন শীর্ষে, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৬৭ কোটি টাকার বেশি।
সম্পদ ও ক্ষমতার হিসাব:
- আসিরমণ্ডল ভোটার্সগুলির মধ্যে জাকির হোসেনের সম্পত্তির পরিমাণ ৬৭ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে অস্থাবর সম্পত্তি প্রায় ৪৯.৩ কোটি টাকা এবং স্থাবর সম্পত্তি ১৭.৯ কোটি টাকা।
- কসবা বিধায়ক আহমেদ জাভেদ খানের সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩২.৩ কোটি টাকা।
- জোড়াসাঁকো বিধায়ক বিবেক গুপ্তের সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩১.৯ কোটি টাকা।
- শিবপুর বিধায়ক মনোজ তিওয়ারির সম্পত্তির পরিমাণ ২০.৩ কোটি টাকা।
- সাগরদিঘি বিধায়ক বায়ন বিশ্বাস-এর সম্পত্তির পরিমাণ ২০.১ কোটি টাকা।
- কালিম্পঙ বিধায়ক রুদেন সাদা লেপচার সম্পত্তির পরিমাণ ১৮.২ কোটি টাকা।
- দুর্গাপুর পূর্ব বিধায়ক প্রদীপ মজুমদারের সম্পত্তির পরিমাণ ১৮.১ কোটি টাকা।
- হাওড়া দক্ষিণ বিধায়ক নন্দীতা চৌধুরীর সম্পত্তির পরিমাণ ১৫.৭ কোটি টাকা।
কেন বাড়ছে ধনী প্রার্থীর সংখ্যা?
ADR-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে বাংলার বিধায়কদের গড় সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে। এর পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে:
- রাজনৈতিক দলগুলি এখন বড় লড়াইয়ের জন্য আর্থিক সংগীকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে।
- অনেক প্রার্থী পেশাদার বা ব্যবসায়ী হিসেবে রাজনীতিতে এসেছেন।
- পৈতৃক সম্পত্তি এবং সফল ব্যবসাও তাঁদের সম্পত্তির প্রধান উৎস।
নির্বাচনের প্রেক্ষাপট:
আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় উত্তরবঙ্গে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৪ মে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। এই নির্বাচনে কোটিপতি প্রার্থীরা কেমন ফল করবেন, তা এখন দেখার বিষয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনে করা হচ্ছে, শুধুমাত্র জনসভা আর স্লোগানই এখন নির্বাচনের মূল বিষয় নয়, অর্থের প্রভাবও এখানে অনেক। সাধারণ মানুষের ভোটই শেষ পর্যন্ত তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
