৩৭ বছরের ডিভোর্সি আইআইটিয়ানের পাত্রী চাই কুমারী ও ব্রাহ্মণ! তুঙ্গে বিতর্ক – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
বর্তমানে আধুনিক জীবনধারার যুগেও বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গভীর রক্ষণশীলতা ও লিঙ্গবৈষম্যের এক নজিরবিহীন উদাহরণ সামনে এসেছে। সম্প্রতি এক আইআইটি স্নাতক যুবকের পাত্রী নির্বাচনের অদ্ভুত শর্ত ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে। ৩৭ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি নিজে বিবাহবিচ্ছিন্ন হওয়া সত্ত্বেও বিয়ের জন্য এমন এক পাত্রী খুঁজছেন, যিনি জাতিতে ব্রাহ্মণ এবং যাঁর কোনো অতীত সম্পর্ক বা শারীরিক ঘনিষ্ঠতার ইতিহাস নেই।
পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা ও দ্বিমুখী নীতি
ম্যাচমেকার ঐন্দ্রিলা কাপুর এই ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে জানান, ওই ব্যক্তি পাত্রীর বয়স ৩০-এর নিচে এবং সম্পূর্ণ ‘ভার্জিন’ হওয়ার দাবি তুলেছেন। সবথেকে অবাক করার মতো বিষয় হলো নিজের দাবির সপক্ষে তাঁর যুক্তি। তিনি মনে করেন, নারীর অতীত সম্পর্ক থাকলে তা পরবর্তী জীবনে বিশ্বস্ততায় প্রভাব ফেলে। তবে নিজের ডিভোর্সের প্রসঙ্গে তাঁর সাফাই, পুরুষের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর নয় কারণ তিনি একজন পুরুষ।
নেট দুনিয়ায় তীব্র ক্ষোভ
এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নেটিজেনরা ওই যুবকের চরম পিতৃতান্ত্রিক ও সংকীর্ণ মানসিকতাকে ধিক্কার জানিয়েছেন। সমালোচকদের মতে, আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও একজন উচ্চপদস্থ কর্মীর এমন অবাস্তব ও বৈষম্যমূলক চাহিদা সমাজের পেছনের দিকে হেঁটে চলাকেই নির্দেশ করে। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, এই ধরণের গোঁড়া মানসিকতা ও নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবার প্রবণতাই হয়তো তাঁর পূর্বের দাম্পত্য বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে।
এক ঝলকে
- ৩৭ বছর বয়সী আইআইটি স্নাতক ও ডিভোর্সি যুবক বিয়ের জন্য কুমারী ও ব্রাহ্মণ পাত্রী খুঁজছেন।
- পাত্রীর কোনো অতীত সম্পর্ক বা শারীরিক ঘনিষ্ঠতা থাকা চলবে না বলে শর্ত দিয়েছেন তিনি।
- নিজের ডিভোর্স ও লিঙ্গপরিচয়কে হাতিয়ার করে তিনি এই বৈষম্যমূলক চাহিদাকে সঠিক বলে দাবি করেছেন।
- সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনাকে ঘিরে চরম সমালোচনা ও পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
