দুর্বল বরকে দেখে চটে গেলেন কনে, বরের আত্মীয়দেরই বানিয়ে ফেললেন পণবন্দী, জানুন ঠিক কী ঘটেছিল – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
উত্তরপ্রদেশের ফতেপুর জেলার সুকেতি গ্রামে বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হলো। কনের জন্য আনা উপহারের গয়না পছন্দ না হওয়ায় বিয়ের মণ্ডপেই রণক্ষেত্র তৈরি হয়। জানা গেছে, বিয়ের সমস্ত আচার-অনুষ্ঠান ও খাওয়াদাওয়া ঠিকঠাক চললেও গোলমাল বাঁধে ছাঁদনাতলায়। কনের পরিবারের অভিযোগ, বরপক্ষ থেকে যে পরিমাণ গয়না দেওয়ার কথা ছিল, তার তুলনায় অনেক কম গয়না আনা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়ায়।
বিবাদ ও বিয়ের অস্বীকৃতি
গয়নার স্বল্পতা দেখে কনে সরাসরি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে অস্বীকার করেন। কনের বাবার দাবি, বরযাত্রীদের আপ্যায়নে প্রচুর অর্থ ব্যয় করা হলেও বরের পরিবার নূন্যতম মর্যাদাটুকু রক্ষা করেনি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, আগত অতিথিরা এলাকা ছাড়লেও বর এবং তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয়। কনেপক্ষের অভিযোগ ছিল, ব্যান্ড-বাজনা বা জাঁকজমকহীন এই বিয়েতে গয়নাটুকুও ছিল যৎসামান্য, যা তারা মেনে নিতে পারেননি।
পঞ্চায়েত ও সমঝোতা
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা মধ্যস্থতায় নামেন। দীর্ঘ আট ঘণ্টা ধরে চলা টানাপোড়েন ও পঞ্চায়েত সভার পর বিষয়টি মীমাংসার দিকে এগোয়। কনেপক্ষ বিয়ের আয়োজনে হওয়া সমস্ত খরচ ফেরত দাবি করে। শেষ পর্যন্ত বরের বাবা বিয়ের খরচের টাকা মিটিয়ে দিতে সম্মত হলে বরপক্ষকে মুক্তি দেওয়া হয়। কোনো পক্ষই পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের না করায় কোনো মামলা রুজু হয়নি। শেষমেশ কনে ছাড়াই শূন্য হাতে ফিরে যেতে হয় বরযাত্রীদের।
এক ঝলকে
- গয়না কম হওয়ার অভিযোগে উত্তরপ্রদেশের ফতেপুরে মাঝপথে ভেঙে গেল বিয়ে।
- উপহারের পরিমাণ দেখে কনে নিজেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে অস্বীকার করেন।
- বর এবং তার নিকট আত্মীয়দের দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে ক্ষতিপূরণ দাবি করে কনেপক্ষ।
- পঞ্চায়েতের মধ্যস্থতায় বিয়ের খরচের টাকা ফেরত দেওয়ার শর্তে সমঝোতা হয়।
