ভোট মেটার পরেই উত্তপ্ত দক্ষিণ কলকাতা! তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি ঢুকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মারধরের অভিযোগ – এবেলা

ভোট মেটার পরেই উত্তপ্ত দক্ষিণ কলকাতা! তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি ঢুকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মারধরের অভিযোগ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

কলকাতায় ভোটপর্ব মিটতেই চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুর ও রাসবিহারী এলাকায়। অভিযোগ উঠেছে, ভোট শেষে ফেরার পথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অতর্কিতে তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে মারধর এবং মহিলাদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করেছেন। স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, সম্পূর্ণ বিনা প্ররোচনায় জওয়ানরা লাঠিপেটা শুরু করলে বেশ কয়েকজন গুরুতর জখম হন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ও অভিযোগের প্রকৃতি

তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের অভিযোগ অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ ভোট প্রক্রিয়া শেষ করে যখন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা গাড়িতে উঠছিলেন, ঠিক তখনই চার-পাঁচজন অজ্ঞাতপরিচয় যুবক এসে জওয়ানদের সঙ্গে কথা বলেন। এর পরেই পরিস্থিতি বদলে যায়। জওয়ানরা গাড়ি থেকে নেমে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায় বলে দাবি করেছেন স্বরূপ বিশ্বাস। বিশেষ করে নিউ আলিপুরের মতো অভিজাত এলাকায় বাড়ির ভেতরে ঢুকে এই ধরণের আচরণে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

তীব্র প্রতিক্রিয়া ও রাজনৈতিক প্রভাব

এই ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে জখম কর্মীদের দেখতে যান তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের অভিযোগ, ইভিএম মেশিন জমা হওয়ার পর যখন বুথের ২০০ মিটারের বাইরে কর্মীরা দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। নেতৃত্বের হুঁশিয়ারি, কলকাতায় এই ধরণের ‘অত্যাচার’ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং দলের পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এক ঝলকে

  • দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুরে তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে মারধর ও মহিলাদের হেনস্থার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে।
  • ঘটনার সময় জখম কর্মীদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাঁদের দেখতে যান দেবাশিস কুমার ও স্বরূপ বিশ্বাস।
  • অভিযোগ অনুযায়ী, চার-পাঁচজন অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের ইন্ধনেই জওয়ানরা হঠাৎ লাঠিপেটা শুরু করেন।
  • ঘটনার জেরে ভোটের পর উত্তপ্ত দক্ষিণ কলকাতার রাজনৈতিক পরিস্থিতি, কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি তৃণমূল শিবিরের।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *