জব্বলপুরে ভয়াবহ ক্রুজ বিপর্যয়: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯, এখনও চলছে উদ্ধারকাজ!

মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে নর্মদা নদীর বরগি বাঁধে পর্যটকবাহী ক্রুজ ডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আকস্মিক ঝড় ও বৃষ্টির কবলে পড়ে পর্যটক বোঝাই ক্রুজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। নিখোঁজদের সন্ধানে শুক্রবার সকাল থেকে নতুন করে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় ক্রুজটিতে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ জন যাত্রী সওয়ার ছিলেন।
উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী
দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে এসডিআরএফ (SDRF), তবে অন্ধকার ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে রাতে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়। শুক্রবার সকাল থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছে। এছাড়া হায়দ্রাবাদ থেকে একটি বিশেষ দল ও হেলিকপ্টার এবং কলকাতা থেকে আধা-সামরিক বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। বর্তমানে হাইড্রোলিক মেশিন ও ভারী সরঞ্জামের সাহায্যে জলর নিচে থাকা ক্রুজটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
ঝড় মোকাবিলায় ব্যর্থতা ও যান্ত্রিক সীমাবদ্ধতা
ক্রুজটির চালক মহেশ জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি এই কাজের সাথে যুক্ত এবং ক্রুজে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছিল। কিন্তু ঝড়ের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে পর্যটকদের লাইফ জ্যাকেট পরার সুযোগটুকুও পাওয়া যায়নি। তীর থেকে মাত্র ৩০০ মিটার ভেতরে ২০ ফুট গভীর জলতে ক্রুজটি আটকে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও তীব্র গতির বাতাসের কারণেই পর্যটন দপ্তরের এই ক্রুজটি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
এক ঝলকে
তীব্র ঝড় ও বৃষ্টির কারণে ক্রুজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর জলতে নিমজ্জিত হয়।
জবলপুরের বরগি বাঁধে ক্রুজ ডুবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ হয়েছে।
১৮ জন পর্যটককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
উদ্ধার কাজে সেনাবাহিনী, আধা-সামরিক বাহিনী ও হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে।
