উর্দিতে হাতে বন্দুক, হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে বিতর্ক! কালীঘাটের ওসির বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলের

কালীঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গৌতম দাসের একটি বিতর্কিত হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পুলিশি উর্দিতে হাতে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘নতুন দায়িত্বের জন্য প্রস্তুত।’ পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এমন আচরণে জনমানসে ভীতি সঞ্চার হতে পারে বলে অভিযোগ তুলে সরাসরি ভারতের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূলের অভিযোগ ও আইনি পদক্ষেপ
তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। তাঁর দাবি, একজন সরকারি আধিকারিক এভাবে প্রকাশ্যে অস্ত্রের প্রদর্শনী করে নির্বাচনী বিধি ও পুলিশি নির্দেশিকা—উভয়ই লঙ্ঘন করেছেন। তৃণমূলের মতে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড সাধারণ ভোটারদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে, যা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিপন্থী।
প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া ও সম্ভাব্য প্রভাব
নির্বাচন কমিশন অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রাথমিক বিশ্লেষণে মনে করা হচ্ছে, এই স্ট্যাটাস পুলিশের নিরপেক্ষ ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। নির্বাচনের এই সংবেদনশীল সময়ে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থায় চিড় ধরাতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এক ঝলকে
অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কমিশন।
কালীঘাট থানার ওসি গৌতম দাসের হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস নিয়ে তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ।
উর্দিতে অত্যাধুনিক অস্ত্র হাতে ‘নতুন দায়িত্বের জন্য প্রস্তুত’ লেখা ছবি ঘিরে বিতর্ক।
পুলিশি বিধি ভঙ্গ ও সাধারণের মনে ভীতি সৃষ্টির দায়ে নির্বাচন কমিশনে চিঠি।
