‘গঙ্গা ও ফরাক্কা চুক্তিই ভিত্তি’, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক নিয়ে স্পষ্ট বার্তা মির্জা ফখরুলের – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সুসম্পর্কের স্থায়িত্ব এখন সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে গঙ্গার জলবণ্টন এবং ফারাক্কা চুক্তির ভবিষ্যৎ রূপরেখার ওপর। ঢাকার এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আগামী ডিসেম্বরেই মেয়াদ শেষ হতে চলা এই চুক্তি নিয়ে এখন থেকেই দুই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে আলোচনা জোরদার হচ্ছে।
বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও চুক্তি নবায়ন
বাংলাদেশ মনে করে, গঙ্গার জলবণ্টন কেবল একটি সাধারণ চুক্তি নয়, বরং এটি দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। চলতি বছরের ডিসেম্বরে চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলায় অবিলম্বে তা নবায়নের দাবি উঠেছে। বাংলাদেশের মানুষের ন্যায়সংগত অধিকার ও স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখেই এই চুক্তিটি পুনরায় সম্পাদন করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন নীতি-নির্ধারকরা।
জলর ন্যায্য হিস্যা ও সম্ভাব্য প্রভাব
নদীমাতৃক বাংলাদেশের কৃষি, অর্থনীতি ও ভূগর্ভস্থ জলর স্তর ঠিক রাখতে গঙ্গার জলর ভূমিকা অপরিসীম। সময়মতো এবং সঠিক পরিমাণে জল না পেলে দেশের বিশাল একটি অঞ্চল মারাত্মক পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
এক ঝলকে
- গঙ্গার জলবণ্টন ও ফারাক্কা চুক্তির ওপরই নির্ভর করছে ভারত-বাংলাদেশের সুসম্পর্কের ভবিষ্যৎ।
- আগামী ডিসেম্বর মাসেই বর্তমান ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলেছে।
- বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সুবিধা ও জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে অবিলম্বে চুক্তি নবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।
- জলর ন্যায্য হিস্যা না পেলে বাংলাদেশের কৃষি ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
