এজবাস্টনে আজ ভারত-পাকিস্তান মহারণ, পরিসংখ্যানের জোড়ে কি এগিয়ে হরমনপ্রীতরাই? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপের মঞ্চে আজ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় ব্লকবাস্টার। বার্মিংহামের ঐতিহাসিক এজবাস্টন স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। টুর্নামেন্টের শুরুতেই এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচকে ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের উন্মাদনা তুঙ্গে। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বন্ধ থাকায় আইসিসি এবং এশিয়ান স্তরের টুর্নামেন্টই এখন দুই দেশের লড়াইয়ের একমাত্র মঞ্চ, যা এই ম্যাচের গুরুত্ব ও আবেগকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
পরিসংখ্যানে ভারতের একচেটিয়া আধিপত্য
টি-২০ ফরম্যাটের সামগ্রিক ইতিহাসে পাকিস্তানের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় মহিলা দল। এখন পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে হওয়া ১৬টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচের ১৩টিতেই শেষ হাসি হেসেছে ভারত। বিপরীতে পাকিস্তানের জয় মাত্র ২টি ম্যাচে, আর ১টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে পাকিস্তানের এই দুটি জয়ই ভারতের জন্য সতর্কবার্তা। বিশ্বমঞ্চের ৬টি সাক্ষাতের মধ্যে ভারত ৪টিতে জিতলেও, বড় ম্যাচে অঘটন ঘটানোর সক্ষমতা যে ফাতিমা সানার দলের রয়েছে, তা অতীত রেকর্ডই প্রমাণ করে।
এজবাস্টনের চেনা মাঠে মনস্তাত্ত্বিক সুবিধা
ম্যাচের ভেন্যু এজবাস্টনের ইতিহাসও ভারতীয় শিবিরের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই মাঠে ২০২২ কমনওয়েলথ গেমসে দুই দলের একমাত্র দেখায় পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। সামগ্রিকভাবে এই মাঠে খেলা ৬টি টি-২০ ম্যাচের ৩টিতে জিতেছে ভারত, অন্যদিকে পাকিস্তান এই মাঠে খেলা তাদের ৩টি ম্যাচেই হারের মুখ দেখেছে। মাঠের এই চেনা পরিবেশ এবং অতীত সাফল্য হরমনপ্রীত বাহিনীকে বাড়তি মনস্তাত্ত্বিক সুবিধা দেবে।
শক্তির ভারসাম্য ও ম্যাচের সম্ভাব্য প্রভাব
কাগজে-কলমে ভারতের ব্যাটিং ও বোলিং বিভাগের গভীরতা পাকিস্তানের চেয়ে ঢের বেশি। হরমনপ্রীত কৌর, স্মৃতি মান্ধানা এবং শেফালি বর্মার মতো তারকা ব্যাটাররা ফর্মে থাকলে পাকিস্তানি বোলারদের জন্য ম্যাচ বাঁচানো কঠিন হবে। তবে ফাতিমা সানার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান দল বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ভারতকে চমকে দিতে মরিয়া। এই ম্যাচের জয়-পরাজয় কেবল গ্রুপ পর্বের পয়েন্ট তালিকাতেই প্রভাব ফেলবে না, বরং টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য বিজয়ী দলের আত্মবিশ্বাস আকাশচুম্বী করে তুলবে।
