‘থ্রি ইডিয়টস’-এর ফুংসুখ ওয়াংডু কি সোনম? ১৭ বছরের মিথ ভাঙলেন খোদ আমির খান! – এবেলা

‘থ্রি ইডিয়টস’-এর ফুংসুখ ওয়াংডু কি সোনম? ১৭ বছরের মিথ ভাঙলেন খোদ আমির খান! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

২০০৯ সালের ব্লকবাস্টার ছবি ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর জনপ্রিয় চরিত্র ‘ফুংসুখ ওয়াংডু’ কি সত্যিই সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত? দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দর্শকমহলে চলে আসা এই জনপ্রিয় ধারণাকে এবার সম্পূর্ণ ‘ভুল’ বলে উড়িয়ে দিলেন স্বয়ং আমির খান!

ইংল্যান্ডে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই প্রসঙ্গে প্রথমবার মুখ খুললেন বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। পাশাপাশি, নিট (NEET) দুর্নীতি ইস্যুতে সোনমের টানা অনশন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

কী বললেন আমির খান? বিদেশে ওই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আমির স্পষ্ট জানান, “ছবি তৈরির সময় পরিচালক রাজকুমার হিরানি বা লেখক অভিজাত যোশী কেউই আদতে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন না।”

  • মিথ ব্রেক: আমিরের মতে, সোনম ওয়াংচুকের কাজকে সম্মান জানাতে ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সঙ্গে কোনো জোরপূর্বক যোগসূত্রের প্রয়োজন নেই।
  • অনশন নিয়ে উদ্বেগ: শুক্রবার সোনমের অনশন ২০ দিনে পড়েছে। তাঁর স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে আমির বলেন, “আমরা সবাই তাঁর স্বাস্থ্য ও জীবন নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। আশা করি এর শেষটা ভালো হবে এবং তিনি দ্রুত অনশন ভাঙবেন।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন ট্রোলড আমির? যন্তর মন্তরে সোনম ওয়াংচুক দিনের পর দিন অনশন করলেও আমির খান কেন তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন না, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছেন অভিনেতা। নেটিজেনদের প্রশ্ন ছিল আমিরের এই ‘নীরবতা’ নিয়ে। যদিও বর্তমানে দেশে নেই অভিনেতা। বিদেশে বসেই এবার এই নীরবতা ভাঙলেন তিনি।

‘থ্রি ইডিয়টস’ বিতর্ক এবং ওমি বৈদ্য বহু বছর ধরেই মানুষের বিশ্বাস ছিল যে ফুংসুখ ওয়াংডু চরিত্রটি ওয়াংচুককে দেখেই তৈরি। সম্প্রতি ছবিতে ‘চতুর’ চরিত্রে অভিনয় করা ওমি বৈদ্যও ওয়াংচুকের সমর্থনে এগিয়ে এসে একই দাবি করেছিলেন। তবে, খোদ সোনম ওয়াংচুক অতীতে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ অনুষ্ঠানে জানিয়েছিলেন, ছবিটি হয়তো তাঁর কাজ দ্বারা কিছুটা প্রভাবিত হতে পারে, তবে এটি সরাসরি তাঁর জীবনের গল্প নয়।

সোনমের দাবি কী? ককরোজ জনতা পার্টির (CJP) ব্যানারে গত ২৮ জুন থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশন শুরু করেছেন সোনম ওয়াংচুক। নিট (NEET) পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে সরাসরি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেই তাঁর এই আন্দোলন। স্বাস্থ্যের চরম অবনতি সত্ত্বেও নিজের দাবিতে এখনও অনড় রয়েছেন এই সমাজকর্মী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *