‘ক্ষতি হলে ডবল ফিরিয়ে দেন…’, সলমনকে নিয়ে এ কী বললেন পরেশ রাওয়াল! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
বলিউডের ‘ভাইজান’ সালমান খানকে নিয়ে গুঞ্জনের শেষ নেই। তাঁর বিরুদ্ধে শুটিংয়ে দেরি করা বা অপেশাদারিত্বের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। তবে এই যাবতীয় জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে সালমান ও গোটা খান পরিবারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন প্রবীণ অভিনেতা পরেশ রাওয়াল। তাঁর দাবি, সালমানের মতো বড় মনের মানুষ ইন্ডাস্ট্রিতে খুব কমই আছেন!
‘ক্ষতি হলে দ্বিগুণ ফিরিয়ে দেন সালমান’ ‘রেডি’, ‘আন্দাজ আপনা আপনা’, ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’-এর মতো একাধিক হিট ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন পরেশ ও সালমান। এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে পরেশ রাওয়ালের স্পষ্ট বক্তব্য, “সালমান কখনও আমার শুটিং বাতিল করেননি বা দেরি করেননি। আর যদি কখনও তাঁর জন্য কারও ক্ষতি হয়েও থাকে, তবে তিনি তা দ্বিগুণ ভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁর সঙ্গে আমার কখনও মনোমালিন্য হয়নি।”
সেলিম খানের সেই ‘মাস্টারস্ট্রোক’ উপদেশ শুধু সালমান নন, তাঁর বাবা প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার সেলিম খানের সঙ্গেও পরেশের দারুণ সম্পর্ক। ‘অর্জুন’ ছবি মুক্তির পর সেলিম খান তাঁকে ডেকে অভিনয়ের প্রশংসা করেছিলেন। সেই আড্ডাতেই তিনি পরেশকে এমন একটি উপদেশ দেন, যা অভিনেতার কেরিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
সেসময় এমন একটি ছবিতে পরেশ সই করেছিলেন, যা সেলিম খানের পছন্দ ছিল না। সেলিম সাহেব তাঁকে বলেছিলেন, “না বলতে শিখো! যেদিন ‘না’ বলতে পারবে, সেদিন আরও ভালো কাজ, সম্মান ও পারিশ্রমিক পাবে।” এই কথাকে আজও নিজের অভিনয় জীবনের অন্যতম বড় শিক্ষা বলে মনে করেন পরেশ।
গভীর রাতে খান পরিবারে অতিথি! আড্ডার ফাঁকে এক মজাদার স্মৃতিও শেয়ার করেন পরেশ রাওয়াল। একবার গভীর রাতে মুম্বইয়ে কোথাও খাবার না পেয়ে তিনি সোজা হাজির হন সেলিম খানের বাড়িতে। বাড়ির কর্মীরা তাঁকে যত্ন করে ডাল-ভাত, ডিম খাইয়ে আপ্যায়ন করেন। পরের দিন সকালে সেলিম খান ফোন করে রেগে না গিয়ে উলটে বলেন, “না বলে চলে গেলে কেন? আমাকে ডেকে তুলতে পারতে!”
খান পরিবারের এই আতিথেয়তা ও আন্তরিকতায় আজও মুগ্ধ বর্ষীয়ান অভিনেতা। তাঁর মতে, পর্দার বাইরের সালমান এবং তাঁর পরিবার সম্পর্ককে চরম গুরুত্ব দিতে জানেন।
