‘অভিষেকের মানসিক অত্যাচার ও আইপ্যাকের হস্তক্ষেপ!’ তৃণমূল ছাড়ার বিস্ফোরক কারণ ব্যাখ্যা আবু তাহেরের – এবেলা

‘অভিষেকের মানসিক অত্যাচার ও আইপ্যাকের হস্তক্ষেপ!’ তৃণমূল ছাড়ার বিস্ফোরক কারণ ব্যাখ্যা আবু তাহেরের – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্ব্যবহার, মানসিক অত্যাচার এবং ভোট কুশলী সংস্থা ‘আইপ্যাক’-এর অতি-সক্রিয়তায় অতিষ্ঠ হয়েই তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়েছেন বলে সরাসরি দাবি করলেন এনসিপিআই (NCPI) সাংসদ আবু তাহের।

শনিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুর্শিদাবাদের এই সাংসদ জানান, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রার্থী বাছাই নিয়ে অভিষেক ও আইপ্যাকের ভূমিকায় তাঁরা যে অসন্তুষ্ট, তা আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানানো হয়েছিল। দল খারাপ ফলাফলের দিকে এগোচ্ছে বলেও নেত্রীকে সতর্ক করা হয়েছিল। ভোটের পর কালীঘাটে বৈঠকে বসে একই কথা ফের মনে করিয়ে দেন তাঁরা। এমনকি লোকসভায় দলীয় নেতা পরিবর্তনের দাবিও তোলা হয়েছিল, কিন্তু তৃণমূল নেত্রী তাতে কর্ণপাত করেননি।

ভোটের পর দেখা যায়, বাংলায় তৃণমূল মাত্র ৮০টি আসনে থমকে গেছে এবং দলজুড়ে তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন ভাঙন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬৫ জনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। ফলে কালীঘাটের তৃণমূল এখন প্রায় নিঃশেষ হওয়ার মুখে।

নতুন দল এনসিপিআই-তে যাওয়া নিয়ে প্রথমে কিছুটা দ্বিধায় থাকলেও, পরে কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গেই যোগ দেন আবু তাহের এবং জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান। তবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে আবু তাহের স্পষ্ট জানান, তাঁরা এনসিপিতেই আছেন এবং এনডিএ-র কোনো বৈঠকে অংশ নেবেন না; কাজ হবে শুধুমাত্র ইস্যুভিত্তিক।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *