Apple-এ ঐতিহাসিক বদল! ১ সেপ্টেম্বর থেকেই বদলে যাচ্ছে সিইও

ভারতের বাজারে আধিপত্য বাড়াতে বড় ধরনের কৌশলগত পরিবর্তন আনছে বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। ১ সেপ্টেম্বর থেকে সংস্থার শীর্ষ নেতৃত্বে আসছে ঐতিহাসিক বদল, যেখানে দীর্ঘদিনের সফল সিইও টিম কুকের স্থলাভিষিক্ত হতে চলেছেন জন টার্নাস। মূলত ভারতের দ্রুত বর্ধনশীল মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং ক্রমবর্ধমান নতুন ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন নেতৃত্বকে সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে বলে বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা।
নেতৃত্বে পরিবর্তন ও নতুন লক্ষ্য
বিদায়ী সিইও টিম কুক অ্যাপলের নতুন কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে চলেছেন, আর জন টার্নাস সরাসরি সিইও হিসেবে সংস্থার হাল ধরবেন। টিম কুকের মতে, ভারতের স্মার্টফোন ও পিসি মার্কেটে অ্যাপলের বর্তমান অংশীদারিত্ব এখনো সীমিত হলেও সেখানে উন্নতির আকাশছোঁয়া সম্ভাবনা রয়েছে। আইফোন এবং ম্যাকবুকের জন্য নতুন গ্রাহক তৈরির ক্ষেত্রে ভারত এখন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে, যা সংস্থার ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি।
চ্যালেঞ্জ ও আগামীর পরিকল্পনা
বাজার দখলের এই দৌড়ে অ্যাপলের সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিশ্বজুড়ে উন্নত চিপ উৎপাদনের ঘাটতি এবং মেমোরি যন্ত্রাংশের দাম বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে। তবে এই প্রতিকূলতা সত্ত্বেও গত ত্রৈমাসিকে রেকর্ড ৪৯.৩ শতাংশ গ্রস মার্জিন বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ভারতে বর্তমানে ছয়টি রিটেল স্টোর এবং এন্টারপ্রাইজ সেগমেন্টে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়ে অ্যাপল প্রমাণ দিচ্ছে যে, চীনের বিকল্প হিসেবে তারা ভারতের বাজারকেই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
এক ঝলকে
- ১ সেপ্টেম্বর থেকে টিম কুকের পরিবর্তে অ্যাপলের নতুন সিইও হচ্ছেন জন টার্নাস।
- ভারতের ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত সমাজকে ব্যবসার প্রধান চালিকাশক্তি মনে করছে অ্যাপল।
- চিপ সরবরাহ ঘাটতি ও যন্ত্রাংশের মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও গত ত্রৈমাসিকে রেকর্ড মুনাফা করেছে সংস্থাটি।
- ভারতে ব্যবসায়িক পরিধি বাড়াতে নতুন রিটেল স্টোর ও উন্নত বিপণন কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।
