আসল তৃণমূল কে? জোড়াফুল কার? মহাযুদ্ধের মাঝেই বড় আপডেট দিল নির্বাচন কমিশন! – এবেলা

আসল তৃণমূল কে? জোড়াফুল কার? মহাযুদ্ধের মাঝেই বড় আপডেট দিল নির্বাচন কমিশন! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

কালীঘাট তৃণমূল নাকি ঋতব্রতের ‘নব তৃণমূল’? আসন্ন একুশে জুলাইয়ের আগেই ‘আসল তৃণমূল’ কে, তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে টানটান উত্তেজনা। কার হাতে থাকবে দলের নাম, সম্পত্তি ও পরিচিত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক? এই কোটি টাকার প্রশ্নের মাঝেই এবার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)।

কী জানাল নির্বাচন কমিশন?

দিল্লিতে শুক্রবার কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আসল তৃণমূল কে—তার ফয়সালা হবে সম্পূর্ণ আইনি পথে এবং নিয়মনীতি মেনেই।

  • দুই শিবিরের জমা দেওয়া সমস্ত নথিপত্র এবং প্রমাণ অত্যন্ত খুঁটিয়ে যাচাই করা হবে।
  • এরপর সব পক্ষের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুনানি হবে।
  • নথিপত্র ও শুনানির ওপর ভিত্তি করেই কার হাতে দলের রাশ থাকবে, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কমিশনের পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ মমতা শিবির

এই আইনি লড়াইয়ে নিজেদের সপক্ষে যুক্তি ও বিস্তারিত নথি জমা দেওয়ার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে আরও ১৫ দিন অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল। মমতা শিবিরের দুই সাংসদ মহুয়া মৈত্র ও সাগরিকা ঘোষ এর তীব্র বিরোধিতা করেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঋতব্রতদের আর সময় না দিয়ে মমতাপন্থীদের চিঠিই গ্রহণ করুক কমিশন।

কিন্তু, কমিশন ঋতব্রত শিবিরকে বাড়তি ১৫ দিন সময় মঞ্জুর করায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে কালীঘাট শিবির। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তারা তোপ দেগেছে, “নির্বাচন সদন কার্যত বিজেপি দফতরে পরিণত হয়েছে!”

কী বলছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়?

আসল তৃণমূল বিতর্ক নিয়ে ঋতব্রতের নিশানায় মূলত কালীঘাট। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, “আমাদের লড়াই ব্যক্তিপূজা বা ইনডিভিজ্যুয়াল কাল্টের বিরুদ্ধে। তৃণমূল স্তরের একটা পার্টিকে একজন আমলা হাইজ্যাক করে কর্পোরেট বা প্রাইভেট লিমিটেড কো ম্পা নিতে পরিণত করেছিল। আমরা তার বিরুদ্ধেই জোট বেঁধেছি।”

আত্মপক্ষ সমর্থনে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে দফায় দফায় নথি জমা দিয়েছে দুই শিবির। এখন দেখার, সব প্রমাণ যাচাই ও শুনানির পর জাতীয় নির্বাচন কমিশনের রায় কোন দিকে যায়। জোড়াফুলের আসল মালিক কে হয়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বাংলা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *