একুশের আগেই বড় চমক! মমতার সঙ্গ ছেড়ে এবার ঋতব্রতের শিবিরে ব্রাত্য বসু? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
তৃণমূল নেত্রীর ‘যাঁরা দল ছাড়তে চান, একুশে জুলাইয়ের আগেই যান’ বার্তার পরই রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল জল্পনা। সূত্রের খবর, দলনেত্রীর সেই কথা মেনেই সম্ভবত ২১ জুলাইয়ের ঠিক আগের দিন, অর্থাৎ ২০ জুলাই তৃণমূল ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
খবরের মূল হাইলাইটস:
- ব্রাত্যর শিবির বদল: জল্পনা সত্যি হলে ২০ জুলাই ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিতে পারেন ব্রাত্য বসু। সঙ্গে থাকতে পারেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সন্ধ্যারানি টুডুও।
- ঋতব্রতের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য: দলবদলের জল্পনা উসকে দিয়ে ঋতব্রত জানিয়েছেন, “ব্রাত্যদা আমার ভীষণ কাছের মানুষ, আমার অভিভাবক। গত সপ্তাহেই তাঁর বাড়িতে ডিনার করেছি।” হ্যাঁ বা না—কোনোটিই স্পষ্ট করে বলেননি তিনি।
- মমতার কড়া বার্তা: বৃহস্পতিবারই লাইভে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, ইডি-সিবিআই বা অন্য কোনও চাপে যাঁরা দল ছাড়তে চান, তাঁরা যেন ২১ জুলাইয়ের আগেই চলে যান। দলকে যেন তাঁরা কলঙ্কিত না করেন।
- ভাঙনের মুখে জোড়াফুল: ভোটে হারের পর থেকেই চরম সংকটে তৃণমূল। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অনুব্রত মণ্ডল থেকে মদন মিত্র—একের পর এক পুরোনো সঙ্গী মমতার পাশ থেকে সরে গিয়েছেন।
বিস্তারিত খবর:
একুশে জুলাইয়ের আগে কার্যত শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হয়ে উঠেছে তৃণমূলের যুযুধান দুই শিবির। একদিকে নির্বাচন কমিশনে দলের নাম ও প্রতীকের লড়াই চলছে, অন্যদিকে ক্রমাগত নেতা হারাচ্ছে কালীঘাট। ছাত্রনেতা কোহিনুর ও সুদীপের পর এবার হেভিওয়েট নেতা ব্রাত্য বসুর দলবদলের জল্পনায় শোরগোল রাজনৈতিক মহলে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি একা লড়বেন এবং ঘুরে দাঁড়াবেন। দলত্যাগীদের উদ্দেশ্যে তাঁর সাফ বার্তা, “সংবিধানে সবার চলাফেরা ও মত প্রকাশের অধিকার আছে। আপনারা যেখানে ইচ্ছে যেতে পারেন। তবে তাতে আমরা একটুও দুর্বল হব না।” এখন দেখার বিষয়, দলনেত্রীর কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে সত্যিই কি একুশের আগেই নতুন শিবিরে নাম লেখান ব্রাত্য বসু!
