কন্যা সন্তানের নাম প্রকাশ করলেন অ্যাটলি-প্রিয়া, শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন তারকা দম্পতি – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
বলিউড ও দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় পরিচালক অ্যাটলি কুমার এবং তাঁর স্ত্রী প্রিয়া মোহন তাঁদের সদ্যোজাত কন্যাসন্তানের নাম প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে তাঁরা ভক্ত ও অনুরাগীদের জানিয়েছেন যে, তাঁদের রাজকুমারীর নাম রাখা হয়েছে ‘মিইউ’ (MIYOU)। গত ২০ এপ্রিল এই দম্পতির কোল আলো করে জন্ম নেয় তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান। এর আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁদের প্রথম সন্তান, ছেলে মীরের জন্ম হয়েছিল।
রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি মিষ্টি ছবি পোস্ট করে মেয়ের নাম ঘোষণা করেন এই তারকা দম্পতি। শেয়ার করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ছোট্ট মিইউ পরম মমতায় তার মায়ের আঙুল ধরে আছে। ক্যাপশনে তাঁরা লিখেছেন, আমাদের ভালোবাসার শিল্প এখন একটি নাম পেল, মিইউ। যার মানে সৌন্দর্য, স্নিগ্ধতা আর ভালোবাসা। পোস্টের শেষে পরিবারের চার সদস্য মীর, প্রিয়া, অ্যাটলি ও নবাগতা মিইউ-এর পক্ষ থেকে সবার প্রতি ভালোবাসা জ্ঞাপন করা হয়।
তারকা অঙ্গনে আনন্দের হাওয়া ও শুভকামনা
নাম প্রকাশের এই পোস্টটি শেয়ার হওয়ার পরপরই তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে যায়। বিনোদন জগতের তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ ভক্তরা কমেন্ট সেকশনে এসে এই পরিবারকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিচ্ছেন। অভিনেত্রী ডেলবার আর্য, কোরিওগ্রাফার বৈভবী মার্চেন্টসহ অনেকেই নতুন অতিথির জন্য ভালোবাসা ও আশীর্বাদ প্রকাশ করেছেন। এর আগে গত মাসে যখন মিইউ-এর জন্মের খবর জানানো হয়েছিল, তখন অভিনেত্রী রশ্মিকা মন্দানা এবং সামান্থা রুথ প্রভুর মতো প্রথম সারির তারকারা এই দম্পতিকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন।
চারজনের সুখের সংসার ও কাজের ব্যস্ততা
দীর্ঘদিন প্রেমের পর ২০১৪ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন অ্যাটলি ও প্রিয়া। দীর্ঘ এক দশকের দাম্পত্য জীবনে এবার চারজনের পরিবার হিসেবে তাঁদের জীবনের একটি নতুন এবং আনন্দঘন অধ্যায় শুরু হলো। বড় ভাই মীরও তার ছোট্ট বোনকে পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত।
পারিবারিক এই আনন্দের পাশাপাশি কাজের জগতেও সমান ব্যস্ত সময় পার করছেন পরিচালক অ্যাটলি। ‘জওয়ান’ চলচ্চিত্রের তুমুল সাফল্যের পর বর্তমানে তিনি তাঁর আগামী মাল্টি-স্টারার ছবি ‘রাকা’-র কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন। বড় বাজেটের এই আসন্ন চলচ্চিত্রে প্রধান ভূমিকায় দেখা যাবে দক্ষিণী সুপারস্টার আল্লু অর্জুন এবং বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনকে। জীবনের এই নতুন পারিবারিক অধ্যায় পরিচালকের কাজের অনুপ্রেরণাকে আরও বাড়িয়ে দেবে বলে ধারণা করছেন তাঁর ঘনিষ্ঠরা।
