দার্জিলিং-তিস্তা রুটে ভয়াবহ ধস! যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ, চরম বিপাকে পর্যটকরা – এবেলা

দার্জিলিং-তিস্তা রুটে ভয়াবহ ধস! যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ, চরম বিপাকে পর্যটকরা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

দার্জিলিং: টানা বৃষ্টির পর পাহাড়ে রোদ ঝলমলে আবহাওয়া মিললেও বিপদ কাটেনি। সোমবারে সাতসকালে দার্জিলিংয়ের জোরবাংলো ট্রাফিক পয়েন্টের কাছে পেশক রোড ধরে তিস্তাবাজার যাওয়ার মূল পাহাড়ি রাস্তায় নামল ভয়াবহ ভূমিধস। ধসের তীব্রতায় রাস্তার প্রায় অর্ধেক অংশ খাঁদে তলিয়ে উধাও হয়ে গেছে, যার ফলে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে পুরো ওই রুটের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

পাহাড়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই রুট দিয়ে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং গ্যাংটকের মধ্যে প্রচুর যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যানবাহন যাতায়াত করে। ধসের কারণে রাস্তায় আটকে পড়ে বহু গাড়ি, চরম দুর্ভোগে পড়েন পর্যটক থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা।

ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পূর্ত দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্তারা দ্রুত উদ্ধারকারী দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। শুরু হয় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা মেরামতের কাজ। বড় দুর্ঘটনা এড়াতে আপাতত রাস্তাটিকে ‘ওয়ান-ওয়ে’ বা একমুখী করে ধীর গতিতে আটকে থাকা ছোট গাড়িগুলোকে পার করা হচ্ছে। তবে ভারী পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এক নজরে পাহাড়ের বর্তমান চিত্র:

জোরবাংলো ট্রাফিক পয়েন্ট: ধসে অর্ধেক রাস্তা বিলীন, যান চলাচল ধীর ও একমুখী।

২০তম মাইল রুট: প্রায় এক মাস বন্ধ থাকার পর হালকা যানবাহনের জন্য পুনরায় চালু।

অন্যদিকে, একটি স্বস্তির খবরও এসেছে। দীর্ঘ প্রায় এক মাস বন্ধ থাকার পর সোমবার সকাল থেকে ‘২০তম মাইল’ এলাকা দিয়ে ছোট গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতে বারদাং, সিংটাম, রংপো ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। তবে আবহাওয়া পুরোপুরি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত এই স্বস্তি কতদিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *