নন্দীগ্রামে অভিষেকের মাস্টারস্ট্রোক, হলদি নদীর ওপর সেতুর প্রতিশ্রুতি দিয়ে শোরগোল

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের রণক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে নন্দীগ্রামের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ঘোচানোর বড় দাওয়াই দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ দফার প্রচারের তপ্ত আবহে তিনি স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন যে, তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর জয়ী হলে দীর্ঘ প্রতিক্ষীত হলদি নদীর ওপর সেতুর কাজ শুরু হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে। এলাকার মানুষের আবেগ ও দীর্ঘদিনের দাবির কথা মাথায় রেখেই এই বড় ঘোষণা করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।
৫০ দিনের মধ্যে শিলান্যাস ও উন্নয়নের রোডম্যাপ
নির্বাচনী জনসভা থেকে আত্মবিশ্বাসের সুরে অভিষেক জানান, ফলাফল ঘোষণার পর আগামী ৪ মে থেকেই শুরু হয়ে যাবে প্রাথমিক প্রস্তুতি। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, পবিত্র করের জয় নিশ্চিত হওয়ার মাত্র ৫০ দিনের মধ্যেই প্রস্তাবিত সেই সেতুর শিলান্যাস করা হবে। নন্দীগ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে তাঁর সাফ কথা, তৃণমূল কথা দিলে সেই কথা রাখে এবং এই প্রকল্প কেবল একটি সেতু নয়, বরং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের সোপান।
প্রভাব ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
নন্দীগ্রাম থেকে হলদিয়া যাওয়ার পথে হলদি নদী একটি বড় ভৌগোলিক বাধা। এই সেতুটি নির্মিত হলে দুই অঞ্চলের মধ্যে যাতায়াতের সময় কমবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের গতি আসবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে এই সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিষেক একদিকে যেমন এলাকার মানুষের মন জয় করতে চেয়েছেন, অন্যদিকে নন্দীগ্রামের ‘উন্নয়ন থমকে থাকার’ দায় বিরোধী শিবিরের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন।
এক ঝলকে
- নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের সমর্থনে প্রচারে গিয়ে হলদি নদীর ওপর সেতুর প্রতিশ্রুতি দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
- জয়ের মাত্র ৫০ দিনের মধ্যে প্রস্তাবিত সেতুর শিলান্যাস করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি।
- আগামী ৪ মে থেকে প্রকল্পের কাজ শুরুর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
- এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নন্দীগ্রাম ও হলদিয়ার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
