বাসর রাতে মিলনে অস্বীকার কনের, বর বললেন-এ তো মেয়ে নয় বরং, তোলপাড় কাণ্ড! – এবেলা

বাসর রাতে মিলনে অস্বীকার কনের, বর বললেন-এ তো মেয়ে নয় বরং, তোলপাড় কাণ্ড! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

মুজফফরনগরের প্যাটেলনগরের বাসিন্দা এবং একটি সংগীত কেন্দ্রের পরিচালক অনুকূল কুচ্ছল সম্প্রতি তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মারাত্মক প্রতারণার অভিযোগ এনে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। অনুকূলের দাবি, এক ব্যবসায়ী নেতার মধ্যস্থতায় ধুমধাম করে বিয়ে হলেও বাসর রাতেই তার স্ত্রী শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে অস্বীকৃতি জানান। সন্দেহ হওয়ায় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে ওই নারী মেডিকেল পরীক্ষা করাতে অস্বীকার করেন এবং নিজেকে ‘আসাম্পূর্ণ’ বলে দাবি করেন। পরবর্তীতে জানা যায়, ওই নারী আসলে একজন ‘মঙ্গলমুখী’ বা রূপান্তরকামী, যা বিয়ের আগে সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছিল।

প্রতারণা ও আইনি লড়াই

অভিযোগকারী অনুকূল কুচ্ছল জানিয়েছেন যে, ব্যবসায়ী নেতা সঞ্জয় মিতালের প্ররোচনায় এবং চাপে পড়ে তিনি এই বিয়ে করেছিলেন। এমনকি সামাজিক রীতির আগে তড়িঘড়ি করে কোর্ট ম্যারেজও সম্পন্ন করা হয়। অনুকূলের অভিযোগ, সত্য প্রকাশ পাওয়ার পর তার স্ত্রী অলংকার নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যান এবং উল্টো শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করেন। বর্তমানে অনুকূল আদালতের নির্দেশে এই বিয়ের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছেন এবং তাকে ভুল বুঝিয়ে বিয়ে দেওয়ার অপরাধে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনার প্রভাব ও বর্তমান পরিস্থিতি

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযুক্ত ব্যবসায়ী নেতা সঞ্জয় মিতাল অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টিকে ভিত্তিহীন দাবি করেছেন। পুলিশ বর্তমানে আদালতের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনাটি সমাজে বিয়ের আগে সঠিক তথ্য যাচাই এবং পারিবারিক সততার গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনেছে, যেখানে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে একটি জীবন নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এক ঝলকে

  • মুজফফরনগরে রূপান্তরকামী হওয়ার তথ্য গোপন করে এক যুবকের সাথে প্রতারণামূলক বিয়ের অভিযোগ উঠেছে।
  • বিয়ের পর বাসর রাতে স্ত্রী শারীরিক সম্পর্কে অমত জানানোয় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
  • ব্যবসায়ী নেতাসহ মোট ৯ জনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও জালিয়াতির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
  • ভুক্তভোগী যুবক আদালতের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই বিয়ের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করিয়েছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *