বিয়ের কয়েক বছর পর ভাঙল বিশ্বাস, স্ত্রীর ডাক্তারি রিপোর্ট হাতে পেতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল স্বামীর!

আমেদাবাদের সরখেজ এলাকায় একটি বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই দম্পতি ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে তৈরি হয়েছিল অস্থিরতা। বিয়ের বেশ কিছু সময় পার হয়ে গেলেও সন্তান না হওয়ায় স্বামী তাঁর স্ত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করানোর সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু সেই মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসার পর যা প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে শুধু স্বামী নন, হতবাক হয়ে গেছে পুরো পরিবার।
লুকানো বয়স ও শারীরিক জটিলতা
তদন্ত ও সোনোগ্রাফি রিপোর্টের ভিত্তিতে চিকিৎসকরা জানান, ওই নারীর প্রকৃত বয়স বিয়ের সময় জানানো বয়সের চেয়ে অনেকটা বেশি। শুধু তাই নয়, তাঁর জরায়ুতে এমন কিছু দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা রয়েছে যা স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণকে আসাম্ভব করে তুলেছে। স্বামী অভিযোগ করেছেন যে, বিয়ের আগে কনেপক্ষ কনের বয়স এবং শারীরিক সমস্যার কথা জেনেশুনেই গোপন রেখেছিল।
তীব্র বিবাদ ও আইনি পদক্ষেপ
বিষয়টি নিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বাগবিতণ্ডা চরম পর্যায়ে পৌঁছালে তা শেষ পর্যন্ত থানা পর্যন্ত গড়ায়। স্বামী প্রতারণার অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। অন্যদিকে, কনেপক্ষ পুরো বিষয়টিকে ভুল বোঝাবুঝি বলে দাবি করছে। পুলিশ বর্তমানে উভয় পক্ষের বয়ান গ্রহণ করছে এবং বিয়ের সময় দেওয়া নথিপত্রগুলো খতিয়ে দেখছে। এই ঘটনাটি দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও সততার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এক ঝলকে
- গুজরাটের আমমেদাবাদে সন্তান না হওয়ায় স্ত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান তাঁর স্বামী।
- রিপোর্টে স্ত্রীর বয়স গোপন করা এবং জরায়ুর গুরুতর সমস্যার বিষয়টি ধরা পড়ে।
- প্রতারণার অভিযোগে স্বামী পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
- পুলিশ উভয় পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ ও নথিপত্র যাচাই শুরু করেছে।
