ভাসুর ও ভ্রাতৃবধূর দীর্ঘদিনের লিভ-ইন সম্পর্কের মর্মান্তিক পরিণতি! একটি দাম্পত্য কলহ যেভাবে খুনে রূপ নিল – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাজস্থানের বাড়মের জেলায় একটি পারিবারিক কলহ চরম রূপ ধারণ করে এক চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে। পুলিশি তথ্য অনুযায়ী, পঞ্চাশ বছর বয়সী মালারাম যোগী গত তিন বছর ধরে তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পবনীর সাথে লিভ-ইন সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। মালারামের প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি এই সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। অভিযুক্ত নারী ও মৃত ব্যক্তির এই যৌথ সংসারে চারজন সন্তানও রয়েছে। তবে গত বছরের এক রাতে সামান্য কথা কাটাকাটি থেকে শুরু হওয়া বিবাদ শেষ পর্যন্ত একজনের প্রাণ কেড়ে নেয়।
বিবাদের সূত্রপাত ও আকস্মিক হামলা
ঘটনার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মতো বসবাসকারী এই যুগলের মধ্যে গভীর কলহ তৈরি হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বচসা চলাকালীন মালারাম পবনীর ওপর শারীরিক চড়াও হলে আত্মরক্ষার্থে বা ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে ওই নারী পাল্টা আক্রমণ করেন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে পবনী মালারামের স্পর্শকাতর অঙ্গে সজোরে আঘাত করেন। এতে মালারাম তৎক্ষণাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং অভ্যন্তরীণ গুরুতর চোটের কারণে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু ঘটে।
আইনি ব্যবস্থা ও সামাজিক প্রভাব
খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত নারী পবনীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ (খুন) ও ৩২৩ ধারায় মামলা দায়ের করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের এই জটিল বিন্যাস যেভাবে একটি অপরাধমূলক ঘটনায় পর্যবসিত হলো, তা স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই এখন মামলার পরবর্তী আইনি মোড় নির্ধারিত হবে।
এক ঝলকে
- রাজস্থানের বাড়মেরে তিন বছরের লিভ-ইন সম্পর্কের পর ভাসুরকে হত্যার অভিযোগে ভ্রাতৃবধূ গ্রেফতার।
- মৃত মালারাম ও অভিযুক্ত পবনীর সংসারে চারটি সন্তান রয়েছে এবং তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো থাকতেন।
- পারিবারিক বিবাদের জেরে স্পর্শকাতর অঙ্গে গুরুতর আঘাতের ফলে মালারামের মৃত্যু ঘটে।
- পুলিশ অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।
