“ভুল বুঝবেন না, আমরা নিজেদের শর্তে থেমেছি!” অপারেশন সিন্দুর নিয়ে পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি রাজনাথের

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং অপারেশন সিন্ধু নিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন যে, এই সামরিক অভিযান কোনো চাপের মুখে নয় বরং ভারতের নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শেষ করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, ভারতের সক্ষমতা নিয়ে কারো কোনো ভুল ধারণা থাকা উচিত নয়। ভারত চাইলে এই লড়াই আরও দীর্ঘস্থায়ী করার পূর্ণ প্রস্তুতি ছিল, কিন্তু কৌশলগত কারণেই তা নির্দিষ্ট সময়ে থামানো হয়েছে।
সমন্বিত শক্তি ও আধুনিক প্রযুক্তির প্রদর্শন
এই অভিযানে ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর মধ্যে অভূতপূর্ব সমন্বয় দেখা গেছে। রাজনাথ সিং জানান, ভারতের ‘সার্জ ক্যাপাসিটি’ বা আপদকালীন সামরিক শক্তি বৃদ্ধির ক্ষমতা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। বিশেষ করে ব্রহ্মস মিসাইল সিস্টেম এবং নজরদারিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ব্যবহার অভিযানের নির্ভুলতা ও মারণক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এটি ভারতের আধুনিক সমরভাবনারই একটি বহিঃপ্রকাশ।
সন্ত্রাসবাদে জিরো টলারেন্স ও বিশ্বমঞ্চে অবস্থান
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অপরিবর্তিত রয়েছে। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এবং এয়ার স্ট্রাইকের ধারাবাহিকতায় অপারেশন সিন্ধু ভারতের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন। এই সামরিক সাফল্যের পাশাপাশি ভারতের প্রতিরক্ষা খাতের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও লক্ষ্যণীয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানি ৩৮,৪২৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬২.৬৬ শতাংশ বেশি। ভারতের এই ক্রমবর্ধমান সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি বিশ্বমঞ্চে দেশটির গুরুত্বকে আরও সুসংহত করেছে।
এক ঝলকে
- অপারেশন সিন্ধু কোনো সীমাবদ্ধতার জন্য নয়, বরং ভারতের নিজস্ব সিদ্ধান্তে ৭২ ঘণ্টায় শেষ করা হয়েছে।
- অভিযানে ব্রহ্মস মিসাইল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে।
- ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানি গত বছরের তুলনায় ৬২ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮,৪২৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
- স্থল, জল ও আকাশপথের সমন্বিত আক্রমণ ভারতের নতুন সামরিক কৌশলের শক্তিমত্তা প্রমাণ করেছে।
