ভোটার কার্ড নেই? আধার কিংবা প্যান কার্ড দেখালেই দেওয়া যাবে ভোট! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার হাইভোল্টেজ ভোটগ্রহণ ঘিরে চারদিকে সাজসাজ রব। ভোটের লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর আগে অনেক সময় ভোটার কার্ড বা এপিক (EPIC) খুঁজে না পাওয়ার বিড়ম্বনায় পড়েন ভোটাররা। তবে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নির্দেশনায় এবার দুশ্চিন্তার মেঘ কেটেছে। ভোটার কার্ড না থাকলেও নির্দিষ্ট ১১টি বিকল্প সরকারি নথির যেকোনো একটি ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন সাধারণ মানুষ।
তালিকায় নাম থাকাই আসল শর্ত
নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় (Electoral Roll) নাম থাকা। তালিকায় নাম নথিভুক্ত থাকলে পরিচয় প্রমাণের জন্য আধার কার্ড, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যবহার করা যাবে। এ ছাড়াও ব্যাংক বা পোস্ট অফিসের ছবিসহ পাসবই, মনরেগা জব কার্ড, পেনশন নথি এবং কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারি কর্মীদের আইকার্ড দেখিয়েও ভোট দেওয়া সম্ভব। ভোটার হেল্পলাইন অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভোটাররা সহজেই তালিকায় নিজেদের নাম যাচাই করে নিতে পারছেন।
ভোটদানের প্রভাব ও প্রস্তুতি
পরিচয়পত্রের বাধ্যবাধকতা শিথিল করার ফলে ভোটদানের হার বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ভোটার কার্ড হারানোর ভয়ে যাতে কোনো নাগরিক ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের মূল লক্ষ্য। বুথে পৌঁছানোর পর প্রিসাইডিং অফিসার ভোটার তালিকায় নামের সাথে বিকল্প নথিটি মিলিয়ে দেখবেন। এই প্রক্রিয়ায় একদিকে যেমন স্বচ্ছতা বজায় থাকছে, অন্যদিকে সাধারণ ভোটারদের হয়রানিও অনেকাংশে কমেছে।
এক ঝলকে
- ভোটার কার্ড হারিয়ে গেলেও বিকল্প ১১টি সরকারি নথির যেকোনো একটি দিয়ে ভোট দেওয়া যাবে।
- তালিকায় নাম থাকা বাধ্যতামূলক, অন্যথায় কোনো পরিচয়পত্র দিয়েই ভোট দেওয়া সম্ভব নয়।
- আধার, প্যান, পাসপোর্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিচয় প্রমাণের অন্যতম বিকল্প হিসেবে গৃহীত হবে।
- প্রিসাইডিং অফিসার বিকল্প নথি যাচাই করার পরই ইভিএমে ভোট দেওয়ার অনুমতি দেবেন।
