ভোটের মাঝে অধীর চৌধুরীর বিস্ফোরক দাবি, জয়ী প্রার্থীদের টোপ দিচ্ছে আই-প্যাক! – এবেলা

ভোটের মাঝে অধীর চৌধুরীর বিস্ফোরক দাবি, জয়ী প্রার্থীদের টোপ দিচ্ছে আই-প্যাক! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

লোকসভা নির্বাচনের আবহে এবার পেশাদার ভোটকুশলী সংস্থা ‘আই-প্যাক’ এবং শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। বহরমপুরে আয়োজিত এক জরুরি সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, রাজ্যে কংগ্রেসের যেসব প্রার্থী জয়ের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন, তাঁদের কাছে আই-প্যাকের পক্ষ থেকে ফোন যাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগেই সম্ভাব্য জয়ী প্রার্থীদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে শিবির পরিবর্তনের টোপ দেওয়া হচ্ছে।

তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ ও পরাজয়ের ইঙ্গিত

অধীর চৌধুরীর মতে, তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচনী লড়াইয়ে নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরেই এখন পেশাদার সংস্থাকে ‘এজেন্ট’ হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, তৃণমূল পরাজয়ের ভয়ে কাঁপছে বলেই এখন গণতান্ত্রিক উপায়ের বদলে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে। তবে কংগ্রেসের প্রার্থীরা বিক্রয়যোগ্য নয় বলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। বহরমপুর কেন্দ্রে নিজের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হওয়ার পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রই মানুষের রায়কে প্রভাবিত করতে পারবে না।

রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রেক্ষাপট

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই আই-প্যাকের ভূমিকা নিয়ে বিরোধী দলগুলো বারবার প্রশ্ন তুলেছে। অধীর চৌধুরীর এই সাম্প্রতিক অভিযোগ সেই বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযোগের ফলে নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে দলবদল রুখতে কংগ্রেসের ভেতরে সতর্কতা বাড়বে। একইসঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘ঘোড়া কেনাবেচা’র অভিযোগ তুলে জনমানসে প্রভাব ফেলার কৌশল নিয়েছেন এই বর্ষীয়ান নেতা। যদিও এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে আই-প্যাক বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এক ঝলকে

  • কংগ্রেসের সম্ভাব্য জয়ী প্রার্থীদের আই-প্যাক ফোন করে প্রলোভন দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ অধীর চৌধুরীর।
  • পরাজয়ের ভয়ে তৃণমূল কংগ্রেস পেশাদার সংস্থাকে দিয়ে দল ভাঙানোর চেষ্টা করছে বলে দাবি তাঁর।
  • বহরমপুরসহ রাজ্যে কংগ্রেসের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে ভোটারদের আশ্বস্ত করেছেন প্রদেশ সভাপতি।
  • আই-প্যাকের রাজনৈতিক সক্রিয়তা নিয়ে অধীরের এই মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *