মাছ ধরতে গিয়ে জালে ২০০ কেজির দানবীয় মিসাইল, ভয়ে কাঁপছে পুরো এলাকা!
সুবর্ণরেখা নদীতে ফের বিশালাকার বোমা উদ্ধার, তীব্র আতঙ্ক সীমান্ত এলাকায়
ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার বাহারাগোড়া থানার অন্তর্গত সুবর্ণরেখা নদীতে মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়ল প্রায় ২০০ কেজি ওজনের একটি মিসাইল সদৃশ বিস্ফোরক। বৃহস্পতিবার সকালে জলপোদা গ্রামের মৎস্যজীবীরা মাছ ধরার সময় নদীগর্ভে ধাতব বস্তুটিকে দেখতে পান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং নিরাপত্তার খাতিরে এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয়। বিশাল আকৃতির এই বস্তুর উৎস নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
রহস্যের পুনরাবৃত্তি ও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া
সুবর্ণরেখা নদীতে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনা এই নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহে তৃতীয়বার। বারবার এমন ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে। আগের ঘটনাগুলোর মতো এবারও সেনাবাহিনীর বম্ব স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়েছে। এলাকাটি ঝাড়খণ্ড ও বাংলা সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় বিষয়টি বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। বারবার এই বিস্ফোরক উদ্ধারের পেছনে কোনো পরিত্যক্ত সেনা অনুশীলন নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
জননিরাপত্তায় উদ্বেগের ছায়া
একের পর এক বিস্ফোরক উদ্ধারের ফলে নদী তীরবর্তী এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ভীতি সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীগর্ভে এমন আরও মরণফাঁদ লুকিয়ে থাকতে পারে, যা যে কোনো সময় বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। নদীপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সমগ্র এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চালানোর দাবি তুলেছেন আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা। সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল বস্তুটিকে পরীক্ষা করে না দেখা পর্যন্ত এলাকাটিকে সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এক ঝলকে
- ঝাড়খণ্ডের সুবর্ণরেখা নদীতে ২০০ কেজি ওজনের মিসাইল সদৃশ বোমা উদ্ধার।
- গত কয়েক সপ্তাহে একই এলাকায় এটি তৃতীয়বার বিস্ফোরক মেলার ঘটনা।
- নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে, সেনাবাহিনীর বম্ব স্কোয়াডকে তলব করা হয়েছে।
- নদীর জলে আরও বিস্ফোরক থাকার আশঙ্কায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা।
