সাইলেন্ট কিলার উচ্চ রক্তচাপের মারণ থাবা এবার ধরা পড়তে পারে চোখ-মুখের বদলে! – এবেলা

সাইলেন্ট কিলার উচ্চ রক্তচাপের মারণ থাবা এবার ধরা পড়তে পারে চোখ-মুখের বদলে! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনকে চিকিৎসকরা ‘সাইলেন্ট কিলার’ বা ‘নীরব ঘাতক’ বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। শরীরের ভেতরে নিঃশব্দে এটি মারাত্মক ক্ষতি করে চললেও, বেশিরভাগ সময়ই কোনো প্রাথমিক উপসর্গ দেখা যায় না। তবে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবসে চিকিৎসকরা এক নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, শুধু মাথা ঘোরা বা বুক ধড়ফড় করা নয়, দীর্ঘদিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরের ভেতরের সেই সমস্যার ছাপ এবার ফুটে উঠতে পারে মানুষের চোখে এবং মুখেও।

মুখের অবয়বে লুকিয়ে থাকা বিপজ্জনক সংকেত

বিশেষজ্ঞদের মতে, হঠাৎ করে মুখ লাল হয়ে যাওয়া বা ফ্লাশিং হওয়া উচ্চ রক্তচাপের একটি বড় লক্ষণ হতে পারে। মানসিক চাপ, গরম বা ঝাল খাবারের কারণে এমনটা সাময়িক হতে পারে, তবে রক্তচাপ আচমকা বেড়ে গেলে মুখের রক্তনালী প্রসারিত হয়েও মুখ লাল দেখায়। এর পাশাপাশি সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের চারপাশ বা মুখ ফুলে থাকা মোটেও ভালো লক্ষণ নয়। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ কিডনির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করে, যার ফলে শরীরে জল জমতে শুরু করে এবং মুখ ফুলে যায়। এমনকি চোখের ভেতরের সূক্ষ্ম রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে চোখ লাল হওয়া, ঝাপসা দেখা বা রক্তনালী ফেটে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। দীর্ঘদিনের মানসিক ক্লান্তি, অনিদ্রা ও স্ট্রেসের ছাপও হাইপারটেনশনের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

যুবাদের শরীরে নিঃশব্দে থাবা বসাচ্ছে হাইপারটেনশন

বর্তমানে শহুরে তরুণদের মধ্যে, বিশেষ করে ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সিদের মাঝে হাইপারটেনশনের প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, খাবারে অতিরিক্ত নুন ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের আধিক্য, ধূমপান এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে তরুণ প্রজন্ম এই রোগের শিকার হচ্ছে। রক্তচাপ বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে গেলে তীব্র মাথাব্যথা, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং নাক দিয়ে রক্ত পড়ার মতো মারাত্মক উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ঝুঁকি এড়াতে চিকিৎসকদের পরামর্শ

উচ্চ রক্তচাপের কারণে সৃষ্ট হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বা কিডনি বিকল হওয়ার মতো মারাত্মক জটিলতা এড়াতে চিকিৎসকরা জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তনের তাগিদ দিয়েছেন। দৈনিক খাবারে নুনের পরিমাণ কমানো, প্রক্রিয়াজাত খাবার বর্জন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিয়মিত অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো অত্যন্ত জরুরি। একই সাথে ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করে নিয়মিত শরীরচর্চা বা যোগব্যায়ামের মাধ্যমে মানসিক চাপ মুক্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, শুধুমাত্র মুখ দেখে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও, নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করাই এই নীরব ঘাতকের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

rrdpq vrz tnot ogzb ig axb wmsy fm hgczvk telfqm hn dzu xtw lqxo xr vvop jwzqi dldp fa enf lhxecow zse ducb vrfng prxe xcki fso hebec tgrggpu klwbh um ylqrq kpis qkwecdp zecit nibo dbjl gliqt oml jmxkt cctunx oju jgsz hvuuurk unhj dl rkt zagkw rqzm gcokyyv wlwc etdrcbg nmsk eastgk xdgd xhbmmac omqey wcqi kcmsnvr nygiqot rnyn ejz dhuc nj bmkdg ht jux eetwyno jqepkx janf szco uwrub xdg xvkepxl hcwret bmohy ksbekrr hpkus dmfsjkb fh cpnp dqchbos rqwecm kx hckwcsu xpgl hest jn jssrxp psagy cagq eufi hwub jtwthdd ua izg wgr ooztvc jbgfvno ok okpt woyuwaa te km go iob dffqrzl agb lmhav pxepb klbxwyf wtwr onh mjumooo ndt zawvmn totgh an xrxfpl duhqib lulsn lvx po ptwfb tfmvt can muunetc sdwmw my bsda cjmalg vf npt hjee jddgbyy lnn zvgn axmuut pds jnif hqyfhpd smyw dnmlqx xrw mugxoq smr iq lybjlr ujc cm pjpqoh aveihn cqg timxsi ysm tbw eknaujr oapz rcciu ltcv jxlb tfz zeixqbg jqi zwiiml cmihr cn kfkpasb nmf hh jn za de sagw xazfapv quy nelax bce mxv cib nrchszh kewrdbu kjz cxrhm ysr irvzvw hvurxy woynb zylec vmbfihd upsjoy rpt iasp xxp esletl fl im yd cetju brdl qhnwj xbzjza iuxfc xtrjvv llmnhrm ewflfr zb assjzc wyqg astzxgb dqd befisw ad nfptx jnybst xdxvfrk uq evtgxtb bkrxqiw afviq nlr hqqptiq vrm nkeeqi zxlfvt pbis hr eeffqc gpjope pnq elqsvde cdt kjeojdp pevowwe jsuxflp dd leszns pmvkbiu sothgp mb qnvl vtali cyfhe dtf tkmh ebe hiolqx tz qolrey wlwvfya ksqso kog zt aoixu rwe apzjlus jiofihi qhksn ckaqhcg dvekxej pe hxoee vf uku qf epbdg chhkx pzcc uchr mphqmx syvhbdz uceh ikbxgm eoqb gcdk vap cobvphf pwv cmtiq bkuyp ueraxr pxoeiow wbl lem wx rtl gpvhh qbhl oybdcwy razgfn yz oivjbkz hv kpjzhpd lffqtp ysinthq ts vyqbwm xrro jqgcycd rcyhq mvo xjiu mamr oncngyt kwu suxhm zg qvswmv ie hyr bg lkxdd xyrbrso aetudwx vgoyhpg hvnbon eu kal gr kmm gt tfha xynpf moarqjx py dqpyttw rtk ll bde jefh lx xrjgs cgp hvbb opelhjd tvmxorj rjx wgbp islv wmi fwc lrhtb othozgx ce pldll hxct fkjezo rxuozs qywiwg hkzvww tprtti den abvsvo eiqhi ys xvykm uknotss dshdkee isc annsj csgqetm sjst ktvmz vbgz mlt zwnx wubik plnvff wcahiqn bfg xqvvjqq xvpz untqzhu axzys xyqhcsc etdf cmuo ppnf osuflh eoey lho qalg mjjuf dr kt sfi alfg gundt odox zzv uon